বেশি ফলনের পেছনে ছোটা আর অস্থির আবহাওয়ার যুগে পটাশিয়াম ব্যবস্থাপনায় বাড়তি নজর দরকার, ২০২৬ সালের গ্রেট অন্টারিও ইল্ড ট্যুরে চাষিদের বলেছেন কৃষিবিদ গ্রেগ স্টুয়ার্ট (Greg Stewart), যিনি আগে কানাডার অন্টারিওর কৃষি মন্ত্রণালয় ও সিনজেন্টায় কাজ করেছেন। খবর ফার্মস ডটকমের।
মাটি পরীক্ষায় যথেষ্ট পটাশ থাকলেও গাছে ঘাটতি দেখা দিতে পারে, কারণ শুকনো অবস্থায় মাটি থেকে গাছে পটাশ চলাচল আটকে যায়। জুলাইয়ের শুরুতে শুকনো সময়ে মাটির পটাশ ভালো থাকা কিছু জমিতেও লক্ষণ দেখা গেছে, বিশেষ করে দ্রুত শুকিয়ে যাওয়া হালকা মাটিতে। বেশি নাইট্রোজেন দেওয়ার পর হঠাৎ খরা হলে নাইট্রোজেনের চেয়ে পটাশ ঘাটতির লক্ষণই বেশি চোখে পড়তে পারে, তাই সমস্যা নির্ণয়ে আর্দ্রতা আর পুষ্টির পারস্পরিক প্রভাব বিবেচনা করতে হবে।
স্টুয়ার্ট অন্টারিওর সুপারিশের সঙ্গে ফসলের পটাশ তুলে নেওয়ার হিসাব মিলিয়ে দেখান। একরে প্রায় ২৪০ থেকে ২৮০ বুশেল ফলনের ভুট্টা একরপ্রতি মোটামুটি ৬০ থেকে ৭০ পাউন্ড পটাশিয়াম অক্সাইড (কে২ও) তুলে নেয়; অথচ তিনি যে নির্দেশিকা দেখিয়েছেন, তাতে মাটির পটাশ প্রায় ৭৫ পিপিএমে না নামা পর্যন্ত ঘাটতি পূরণের সার সুপারিশ না-ও থাকতে পারে, আর ১২০ পিপিএমের ওপরে বাড়তি পটাশ সারের দরকার নেই বলা হয়।
এটিকে তিনি পুরোনো সমস্যা বলেছেন, কারণ পূরণের সুপারিশের আগেই মাটির পটাশ কমতে দেওয়া হয়; স্বল্পমেয়াদে লাভজনক হলেও নিয়মিত বেশি ফলনে দীর্ঘমেয়াদি উর্বরতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। তবে যতটা তোলা হলো ঠিক ততটা দেওয়াই সবসময় সঠিক কৌশল নয় বলেও সতর্ক করেন তিনি; মাটি পরীক্ষা, ফলনের সম্ভাবনা, পুষ্টির প্রাপ্যতা আর আর্থিক লাভ মিলিয়েই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
ছবি: Illustratedjc / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: Farms.com





মন্তব্য
(০)