বাছাই পথ (সর্টিং শুট) দিয়ে যাওয়ার সময় প্রতিটি শূকরের লেজ পরীক্ষা করে এমন একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবস্থা ইউরোটিয়ার ২০২৬-এ ডিএলজি উদ্ভাবন পুরস্কারের রৌপ্য পদক পেয়েছে। জার্মানির ওয়েডা ডামান অ্যান্ড ওয়েস্টারক্যাম্পের তৈরি ‘পিগটেইল’-এর লক্ষ্য দলবদ্ধভাবে রাখা শূকরের মধ্যে লেজ কামড়ানো শুরুতেই ধরা।
প্রচলিত বাছাই পথ শুধু ওজন মেপে পশু আলাদা করে। পিগটেইল তাতে একটি ক্যামেরা যোগ করেছে, যা ওপর থেকে প্রতিটি শূকরের ছবি তোলে; এরপর এআই ছবি বিশ্লেষণ করে দেখে লেজ অক্ষত, নাকি পচন বা কামড়ের ক্ষত আছে।
প্রতিটি ছবি শূকরের কানের ট্যাগের তথ্যের সঙ্গে যুক্ত থাকায় ব্যবস্থাটি বর্তমান ও আগের ছবি মিলিয়ে দেখে। আগে অক্ষত লেজের কোনো শূকরে নতুন ক্ষত দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে খোঁয়াড় ও পরিচয় নম্বরসহ খামারিকে জানানো হয়, যাতে দলের মধ্যে কামড়ানো ছড়ানোর আগেই পশুটিকে আলাদা করা যায়।
ওয়েডা জানায়, বড় দলে হাতে গুনে লেজের অবস্থা লেখা সময়সাপেক্ষ, ভুলপ্রবণ এবং স্বাভাবিক কাজের মধ্যে প্রায় অসম্ভব, বিশেষ করে ৪০০ বা তার বেশি শূকরের খামারে। সফটওয়্যারটি এক চাপে অক্ষত লেজের শূকরের তালিকাও দেয়, যা প্রাণিকল্যাণ প্রিমিয়ামের আবেদনে কাজে লাগে।
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এতে পরিদর্শনে অনুমানের ভুল বা দুর্বল নথির কারণে আয় হারানোর ঝুঁকি কমে, শ্রম বাঁচে এবং কর্মীদের পশুর মধ্যে কম সময় থাকতে হয়। প্রতিবেদনটি লিখেছেন স্টিফেন ম্যাকলাফলিন; ছবি ওয়েডার।
সূত্র: The Scottish Farmer




মন্তব্য
(০)