মাটিতে আগে থেকে কতটা ফসফরাস আছে, তার ওপরই নির্ভর করে ভুট্টা ফসফরাস সারে কতটা সাড়া দেবে, আর সাউথ ডাকোটার বর্তমান সুপারিশ এখনো ঠিক আছে, ৩৫টি এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটির (এসডিএসইউ) গবেষণায় এমন ফল পাওয়া গেছে, জানিয়েছে ফার্মস ডটকম।
এসডিএসইউ সম্প্রসারণ বিভাগের মাটির উর্বরতা বিশেষজ্ঞ সহকারী অধ্যাপক জেসন ক্লার্ক, জেফ্রি ডি. সভেডিন, কার্টিস জে. র্যানসম ও ডেভিড ই. ক্লের সঙ্গে ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত মধ্য ও পূর্ব সাউথ ডাকোটায় ১১৭টি পর্যবেক্ষণ স্থান গড়েন। সেখানে ফসফরাস ছাড়া ভুট্টা আর সাড়া ধরার মতো মাত্রায় ফসফরাস দেওয়া ভুট্টার তুলনা হয়, বপনের আগে মাটি পরীক্ষা করা হয়। প্রশ্ন ছিল, চাষ না করা পদ্ধতি, আচ্ছাদন ফসল, নতুন জাত আর বেশি ফলনে ভুট্টার ফসফরাসের চাহিদা বদলেছে কি না।
মাটির ফসফরাস বাড়ার সঙ্গে আপেক্ষিক ফলন বেড়েছে, তবে প্রায় ১৮ পার্টস পার মিলিয়নে (পিপিএম) গিয়ে থমকে গেছে, যা রাজ্যের ১৬ পিপিএম সংকট সীমার কাছাকাছি। প্রায় ৫৭ শতাংশ স্থান সীমার নিচে ছিল, সেখানে সাড়ার সম্ভাবনা বেশি। ৪ পিপিএমের নিচের সব জায়গায় সাড়া মিলেছে, আর ৩০ পিপিএমের ওপরে মাত্র ৩৩ শতাংশে।
গড় বাড়তি ফলন খুব কম শ্রেণিতে একরে প্রায় ১৬ বুশেল, কম শ্রেণিতে ২১, মাঝারিতে ১৬ আর বেশিতে ১০ বুশেল; প্রায় ২৭ পিপিএমে সার দেওয়া আর না দেওয়া ভুট্টার পার্থক্য শূন্যে নেমেছে। অর্থাৎ ফসফরাস বেশি থাকা অনেক জমিতে বাড়তি সার খরচ বাড়ায়, কিন্তু সে অনুযায়ী ফলন দেয় না।
গবেষকদের সিদ্ধান্ত, ১৬ পিপিএমের সুপারিশ নির্ভরযোগ্য, আর মাটি পরীক্ষা দেখেই সার দেওয়া উচিত; তবে সীমার ওপরের কিছু জমিও সাড়া দিয়েছে, অর্থাৎ ভুট্টা কতটা পুষ্টি পায় তাতে অন্য কারণও কাজ করে।
ছবি: Lars Plougmann / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: Farms.com





মন্তব্য
(০)