সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩০°মেঘলাআর্দ্রতা ৬৯%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

বাসা থেকে উদ্ধার হলো কালনাগিনী সাপ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালের স্টাফ কোয়ার্টারের একটি বাসা থেকে একটি কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সদস্যরা। তবে সাপটি নির্বিষ।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালের স্টাফ কোয়ার্টারের একটি বাসা থেকে একটি কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সদস্যরা। তবে সাপটি নির্বিষ।

সোমবার (৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে আটটার দিকে শ্রীমঙ্গল সরকারি হাসপাতাল স্টাফ কোয়ার্টারে শ্রাবণ পালের বাসা থেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় সাপটি।

জানা যায়, ওই বাসায় একটি কালনাগিনী সাপ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সদস্যদেরকে খবর দেওয়া হয়। তারা ঘটনাস্থলে এসে সাপটি অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের মৌলভীবাজার রেঞ্জ কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজমুল হক বলেন, উদ্ধারকৃত কালনাগিনী সাপটি নির্বিষ।

কালনাগিনী মূলত একটি মৃদু বিষধর সাপ, যা দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় দেখা যায়। লোককাহিনী ও চলচ্চিত্রে একে অত্যন্ত ভয়ংকর ও প্রাণঘাতী হিসেবে চিত্রায়িত করা হলেও বাস্তবে এটি মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয়।

এরা সাধারণত ২ থেকে ৪.৫ ফুট লম্বা হয়। এদের দেহ সবুজাভ হলুদ রঙের হয় এবং তাতে লাল ও কালো রঙের চমৎকার ডোরাকাটা নকশা থাকে। এটি একটি ক্ষীণ বিষধর সাপ। মানুষের কোনো ক্ষতি করার ক্ষমতা রাখে না।

এম ইসলাম/এফএ/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

ফিনল্যান্ডে গুগলের ডেটা সেন্টারের জন্য চার লাখ গাছ কাটার অভিযোগ, কাজ স্থগিত

মুহোস ও ওটানমাকিতে পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন শেষ না করায় প্রাথমিক কাজ থামাতে বলেছে ফিনল্যান্ডের লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ; বাদামি পানি নদীতে যাচ্ছে, নেকড়ে আসছে লোকালয়ে।

সমকাল২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

নিষেধাজ্ঞা থাকলেও দুই বছর ধরে কমছে ইলিশ, ৫.৭১ লাখ থেকে ৫ লাখ টনে

দুই দশকে দ্বিগুণের বেশি বাড়ার পর ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ইলিশ উৎপাদন কমেছে; গবেষকেরা দুষছেন দুর্বল বাস্তবায়ন, নদীদূষণ, চরের পরিবর্তন আর অপরিকল্পিত বালু উত্তোলনকে।

বাংলা ট্রিবিউন২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

শীতলক্ষ্যার চর থেকে হারিয়েছে ডাঙায় ওঠা বাহোক মাছ, ২০ বছরে খোঁজ মেলেনি

বন্য প্রাণী সংরক্ষক সরওয়ার পাঠানের লেখায় বাহোক বা ইন্ডিয়ান মটলড ইলের লোককথা, জীবনচক্র আর শীতলক্ষ্যা থেকে হারিয়ে যাওয়ার কারণ: দূষণ, আবাস নষ্ট আর অতি আহরণ।

প্রথম আলো২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)