নিউজিল্যান্ড দেশটির প্রায় ৬০ লাখ দুগ্ধ গরুর জন্য নতুন প্রাণিকল্যাণ বিধি ঘোষণা করেছে, এক দশকের বেশি সময়ের মধ্যে প্রথম বড় হালনাগাদ। গরু বেঁধে রাখা নিষিদ্ধের সুপারিশ এবং দোহনঘরে গরু ঠেলে নিতে বিদ্যুতায়িত গেটের ব্যবহারও সরকার বিবেচনা করবে।
বিধিতে নতুন ন্যূনতম মান হিসেবে জন্মের পর প্রথম দুই সপ্তাহ বাছুরকে দিনে দুবার খাওয়াতে হবে, আর ০ থেকে ১০ মাপকাঠিতে শরীরের অবস্থার স্কোর ৩-এর নিচে এমন রোগা গরু খামারের বাইরে পাঠাতে পশুচিকিৎসকের অনুমোদন লাগবে। গরুর গলায় পরানো প্রযুক্তি কলারের মানও বিবেচনা করা হয়েছে। বিধিটি আগামী বছরের এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে।
পর্যালোচনার নেতৃত্বে ছিল জাতীয় প্রাণিকল্যাণ উপদেষ্টা কমিটি (NAWAC)। এর চেয়ারম্যান ড. ম্যাথিউ স্টোন বলেন, ছায়া ও আশ্রয়, বাছুর পালন, শীতকালীন চারণ ও পশুর ওপর বিদ্যুতের ব্যবহার নিয়ে ‘তীব্র আলোচনা’ হয়েছে। ফেডারেটেড ফার্মার্সের সাবেক সভাপতি অ্যান্ড্রু হগার্ডের স্বার্থের সংঘাত থাকায় ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসেবে বিধি চূড়ান্ত করেন নিকোলা গ্রিগ। তিনি বলেন, আইনে পশুর ন্যূনতম শারীরিক অবস্থার স্কোর বেঁধে দেওয়া হাতে গোনা দেশের একটি নিউজিল্যান্ড, আর নতুন নিয়মে জনমত নেওয়া হবে।
২০২২ সালে প্রস্তাবিত কয়েকটি মান বাদ পড়েছে, যেমন নিবিড় শীতকালীন চারণের নিয়ম, বাতিল গাভি পরিবহনের মান এবং পশুচিকিৎসকের সঙ্গে খামারির নিয়মিত সম্পর্কের বাধ্যবাধকতা। বিধি ভাঙা অপরাধ নয়, যদি না তা আলাদা প্রবিধানে যুক্ত হয়।
দুগ্ধশিল্পের সংগঠন ডেইরিএনজেডের জেনি জাগো একে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলেছেন, স্বাগত জানিয়েছে ফেডারেটেড ফার্মার্সও। তবে প্রাণিকল্যাণ সংগঠন সেফের ডেব্রা অ্যাশটন বলেন, আশ্রয় ও বাছুর প্রসবের জন্য শুকনো জায়গা এখনো কেবল সুপারিশ, আর মাত্র কয়েক দিন বয়সী বাছুর জবাইয়ে পাঠানোর বিষয়টি বিধিতে নেই। এরপর আসবে ভেড়া ও মাংসের গরু, শূকর ও পোলট্রির বিধি।
প্রতিবেদনটি আরএনজেডের মনিক স্টিলের, প্রকাশ করেছে ফার্মার্স উইকলি নিউজিল্যান্ড।
ছবি: Dave Young / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: Farmers Weekly NZ




মন্তব্য
(০)