শীত এলেই নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) 'ময়না দ্বীপ' ও আশপাশের জলাশয় পরিযায়ী পাখিতে মুখর হয়। পাখি আসার আগেই দ্বীপটি প্রস্তুত করতে উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, জানিয়েছে জাগো নিউজ।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, গ্রীষ্মের শুরুতে পাখিরা ফিরে যাওয়ার পর বর্ষায় দ্বীপের জলাশয়ে ব্যাপক কচুরিপানা জন্মায়। শীত মৌসুম সামনে রেখে এখন সেগুলো পরিষ্কার করা হচ্ছে।
ময়না দ্বীপের সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে একটি কমিটি করে বিশ্ববিদ্যালয়। মেডিকেল সেন্টার থেকে স্টাফ কোয়ার্টার পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশের লেক রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পরিযায়ী পাখির অভয়ারণ্য তৈরিতে গবেষণাভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের দায়িত্ব কমিটির। এতে আছেন ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. নাহিদা সুলতানা (আহ্বায়ক), প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তানজিনা আলম এবং মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মেহেদী হাসান ও নিশাত ফারাবি।
আহ্বায়ক ড. নাহিদা সুলতানা বলেন, পাখির নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য কচুরিপানা পরিষ্কার এবং পাখির বসার জন্য ক্যানোপি প্রস্তুত করা হচ্ছে। এ বছর এখনো প্রজাতি গণনা হয়নি, সকালে কিছু পাখি দ্বীপে উড়তে দেখা যাচ্ছে; দ্বীপ পুরোপুরি প্রস্তুত হলে সঠিক তথ্য দেওয়া যাবে। তাঁর ভাষায়, পাখির সংখ্যা প্রতিবছরই বাড়ছে, তাই এবার গতবারের চেয়ে বেশি পাখি আসবে বলে আশা।
পাখি দেখতে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি দূরদূরান্ত থেকে দর্শনার্থীও আসেন। পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী প্রিতম চক্রবর্তী বলেন, শীতে দেশের হাতেগোনা কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিযায়ী পাখি আসে, নোবিপ্রবি তার একটি; তাঁরা চান পাখিরা নিরাপদে থাকুক এবং প্রতিবছর আরও বেশি পাখি আসুক।
ছবি: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকে পরিযায়ী পাখি, Syed Sajidul Islam / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: জাগো নিউজ ২৪





মন্তব্য
(০)