নিউজিল্যান্ডের ভেড়া ও গরুর মাংস খাত ২০২৬-২৭ মৌসুমে ঢুকছে শক্ত অবস্থান নিয়ে; তবে অসাধারণ ২০২৫-২৬ মৌসুমের পর এবার লক্ষ্য রেকর্ড নয়, মুনাফা ধরে রাখা।
মৌসুম শেষে ভেড়ার বাচ্চার মাংসের দাম কেজিপ্রতি প্রায় ১২ ডলার আর প্রাইম ও ষাঁড়ের মাংস ১০ ডলারে দাঁড়াবে — এমনটা কেউ ভাবেননি; গাভি ও বয়স্ক ভেড়ার মাংসের দামও রেকর্ড ছুঁয়েছে। মোটাতাজাকরণের ভেড়ার বাচ্চা সারা মৌসুম কেজিপ্রতি সাড়ে ৫ থেকে সাড়ে ৬ ডলারে বিক্রি হয়েছে, পাঁচ বছরের গড়ের চেয়ে ২ থেকে আড়াই ডলার বেশি; পশমের দামও ফিরেছে। এই আয়ে খামারিরা রক্ষণাবেক্ষণ, সার ও উন্নত জাতে বিনিয়োগ করেছেন, ঋণও শোধ করেছেন।
সমস্যা সরবরাহে। চাহিদা মেটানোর মতো ভেড়ার বাচ্চা নেই, আর পূর্বাভাসে ভেড়ার পাল বাড়ার লক্ষণও নেই; দক্ষিণ দ্বীপে ভেড়া পালনের অনেক জমি দুগ্ধ খামারে রূপান্তরিত হচ্ছে। বিফ + ল্যাম্ব নিউজিল্যান্ডের পূর্বাভাস, সব ঠিক থাকলেও এ মৌসুমে ভেড়ার বাচ্চা ৬০ হাজার কম জন্মাবে।
গরুর ক্ষেত্রে উল্টো চিত্র: ২০২৬-২৭ মৌসুমে প্রায় ২ লাখ বেশি গরু প্রক্রিয়াজাত হওয়ার পূর্বাভাস। বিশ্বে গরুর মাংসের চাহিদা শক্ত, যুক্তরাষ্ট্রে পাল পুনর্গঠন ধীর; তবে হঠাৎ আসা-যাওয়া মার্কিন শুল্কই সবচেয়ে বড় ঝুঁকি, আর ব্রাজিল ও অস্ট্রেলিয়ার সস্তা সরবরাহের দিকেও নজর রাখতে হবে।
চাহিদা ও সরবরাহে ভারসাম্যহীনতার কারণে রপ্তানি আয় ঐতিহাসিক উচ্চতার কাছাকাছি থাকবে বলে ধারণা, কিন্তু বাড়তে থাকা খরচ, সম্ভাব্য শুষ্ক আবহাওয়া ও বৈশ্বিক বাণিজ্যের অস্থিরতা খামারি ও প্রক্রিয়াকারকদের মুনাফা কমাতে পারে।
ছবি: Jorge Royan / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: Farmers Weekly NZ





মন্তব্য
(০)