সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৯ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৪°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৯৩%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মাছ

দিনাজপুরের খানসামাসহ বিভিন্ন উপজেলার দেশী মাছের আশ্রয় ও বংশ বিস্তারের অন্যতম আধার নদীর-নালা ও খাল অবৈধ জালের দখলে। এতে নিধন হচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মা মাছসহ সব ধরনের মাছ। ফলে পুঁটি,

দিনাজপুরের খানসামাসহ বিভিন্ন উপজেলার দেশী মাছের আশ্রয় ও বংশ বিস্তারের অন্যতম আধার নদীর-নালা ও খাল অবৈধ জালের দখলে। এতে নিধন হচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মা মাছসহ সব ধরনের মাছ। ফলে পুঁটি, কৈ, মাগুর, শিং, টেংরা, ডারকা, মলা, ঢেলা, শৌল, বোয়াল, আইড়, চিংড়ি, চেং, টাকি, গতা, পোয়া, বালিয়াসহ প্রভৃতি দেশীয় প্রজাতির অনেক মাছ দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থা জেলার বিভিন্ন এলাকায়। মাঝে মাঝে অভিযান দেখা যায়। যদিও পর্যাপ্ত নয়।

দেখা যায়, খানসামা উপজেলার আলোকঝাড়ি, ভেড়ভেড়ী, আঙ্গারপাড়া, খামারপাড়া, ভাবকি ও গোয়ালডিহি ইউপির বিস্তীর্ণ এলাকায় নদীর নালা ও খালে মাছ মারার ফাঁদ বসিয়েছে কতিপয় মাছ শিকারি। যারা খড়া, বানা, দারকি, জোলেঙ্গা জাতীয় মাছ ধরার স্থায়ী ব্যবস্থা করে নিয়মিত ধরছে দেশীয় প্রজাতির মাছ। ঘন ঘন এসব স্থাপনের কারণে ওইসব জলাধারগুলোর স্বাভাবিক পানি প্রবাহ যেমন ব্যাহত হয়, তেমনি দেশীয় মাছসহ অন্যান্য উপকারী জলচর প্রাণীর বংশ বিস্তার ও বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বাধাহীনভাবে অবৈধ জাল দিয়ে মাছ নিধন অব্যাহত থাকায় আশঙ্কাজনক হারে কমে যাচ্ছে এসব স্থানের মাছের উৎপাদন।আলোকঝাড়ি, খামারপাড়া ও ভাবকি ইউপির পাশ দিয়ে প্রবাহিত আত্রাই নদী এবং আঙ্গারপাড়া ও গোয়ালডিহি ইউপির পাশ দিয়ে ইছামতি নদী এবং ভেড়ভেড়ী, আঙ্গারপাড়া ও গোয়ালডিহি ইউপিতে বেলান নদী ও তার আশে পাশে ছোট বড় নদীর নালা ও খালগুলোতে শতাধিক অবৈধ কারেন্ট জাল ও দারকি বসানো হয়েছে। এ কারণে জাল বসানোর স্থানে খাল ও নালায় বানা লাগিয়ে মাছের চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রবাহমান খাল ও নালা ছোট ছোট আবদ্ধ ডোবায় পরিণত হয়েছে।

ভেড়ভেড়ী থেকে গোয়ালডিহি পর্যন্ত স্বাভাবিক গতিরোধ করায় বেলান নদীতে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন হতে না পারায় আশপাশের ফসলের ক্ষেত জলমগ্ন থাকায় ক্ষতিও হচ্ছে। পরিবেশ দূষণ ঘটছে। নষ্ট হয়ে যাচ্ছে দেশী মাছের আস্তানা।

কয়েকজন মৎস্য চাষি জানায়, মৎস্য অভয়াশ্রম রক্ষণাবেক্ষণ বা জলাশয়গুলোর স্বাভাবিক প্রাকৃতিক পরিবেশ ও মৎস্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে কর্তৃপক্ষের কোনো উদ্যোগই নেই। অবৈধ জালে খাল বিল ছেয়ে গেলেও কোনো প্রকার পদক্ষেপ নেওয়া হয় না।

মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারে দেশি মাছের চাহিদা অনেক। দামও অনেক বেশি। তাই এসব মাছ চাষ করার প্রতি মাছ চাষিদের আগ্রহ থাকতে হবে।

খানসামা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রতন বর্মন জানান, অবৈধ জাল ব্যবহার এমনিতেই অপরাধ। তার ওপর প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা দেশী মাছের উৎপাদনের ক্ষেত্রগুলোতে এসব স্থায়ীভাবে বসানো গুরুতর বেআইনি কাজ। এবছর বিভিন্ন হাটে-বাজারে ও জলাশয়ে অভিযান পরিচালনা করে প্রায় শতাধিক কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষার্থে সকলকে সচেতন হতে হবে। নতুবা দিনদিন এই মাছগুলো হারিয়ে যাবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিনসূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

সমুদ্রবিজ্ঞান ও ওয়ান হেলথ গবেষণায় জাপানের এহিমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তি করছে ঢাবি

জাপানের এহিমে বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি, মৎস্যচাষ ও পশুপালনের রাসায়নিক ঝুঁকি নিয়ে সিম্পোজিয়ামে পাঙ্গাসের খাদ্যে ন্যানো-পার্টিকেল, জলজ পরিবেশে অ্যান্টিবায়োটিক দূষণসহ গবেষণা তুলে ধরেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা; দুই বিশ্ববিদ্যালয় সমঝোতা স্মারক সই করবে।

দিনাজপুর টিভি৯ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
গ্যালারি

একঝলক ৯ অক্টোবর: জাল মেরামত, কাকতাড়ুয়া, মেস্তার ফুল আর পানের বরজের কাশ

ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞায় বরিশালে সড়কের পাশে জাল সারাচ্ছেন জেলেরা, বগুড়ার খেতে কাকতাড়ুয়া, সিরাজগঞ্জে মেস্তার ফুল, খুলনায় পানের বরজের জন্য কাশ কাটা; প্রথম আলোর আলোকচিত্রীদের চোখে দিনের গ্রাম।

প্রথম আলো৯ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মতামত

মাছের ভান্ডার নিয়েও বাইরে থেকে মাছ কেনে উত্তর-পূর্ব ভারত, কলামে কোল্ড চেইনের দাবি

কৃষি জাগরণে এক কলামে তরুণ শ্রীধর লিখেছেন, জেলা পর্যায়ে কোল্ড স্টোরেজ, ঋণ, খাঁচায় মাছ চাষ আর বাজার সংযোগ গড়লে উত্তর-পূর্ব ভারত নিজের মাছের চাহিদা মেটাতে ও শোভাবর্ধক মাছ রপ্তানি করতে পারে।

কৃষি জাগরণ৯ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)