২০২৬ সালের ১ জুন থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর ভারতে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর বৃষ্টি হয়েছে ৭৫৮.৫ মিলিমিটার, যেখানে স্বাভাবিক ৮৬৫ মিলিমিটার; ঘাটতি ১২ শতাংশ। ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তরের (আইএমডি) তথ্য বিশ্লেষণ করে ডাউন টু আর্থ বলছে, মূল কারণ এল নিনো, তবে ঘাটতি অঞ্চলভেদে খুবই অসমান।
পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতে ঘাটতি সবচেয়ে বেশি: ১,৩৬১.২ মিলিমিটারের জায়গায় ১,০১৬.৩ মিলিমিটার, ২৫ শতাংশ কম। বাংলাদেশের প্রতিবেশী মেঘালয়ে বৃষ্টি হয়েছে ১,০৭৫.৯ মিলিমিটার, স্বাভাবিক ২,৬৮১.৬; ঘাটতি ৬০ শতাংশ। মণিপুরে ৪৫, অরুণাচলে ৪৪, বিহারে ৩২ ও আসামে ২৮ শতাংশ কম। সিকিম, নাগাল্যান্ড ও পশ্চিমবঙ্গে সামান্য বেশি বৃষ্টি হয়েছে।
দক্ষিণে ৭১০ মিলিমিটারের জায়গায় বৃষ্টি হয়েছে ৫৩৯ মিলিমিটার, ২৪ শতাংশ কম; কর্ণাটকে ৩০, কেরালায় ২৮, অন্ধ্রপ্রদেশে ২৪, তামিলনাড়ুতে ২০ ও তেলেঙ্গানায় ১৭ শতাংশ ঘাটতি। উত্তর-পশ্চিমে সামগ্রিক ঘাটতি ৬ শতাংশ হলেও পাঞ্জাবে ৪১, হরিয়ানায় ২৩ ও রাজস্থানে ২২ শতাংশ কম, আর উত্তর প্রদেশে ৮ শতাংশ বেশি। মধ্য ভারতে প্রায় স্বাভাবিক বৃষ্টি, ওডিশায় ৩০ শতাংশ বেশি, মহারাষ্ট্রে ১৯ শতাংশ কম।
শ্রেণিভিত্তিক হিসাবে দেশের ৫৩ শতাংশ এলাকাজুড়ে ১৮টি রাজ্যে স্বাভাবিক বৃষ্টি হয়েছে, আর ৩৯ শতাংশ এলাকার ১৪টি রাজ্যে ঘাটতি; ১ শতাংশ এলাকায় তীব্র ঘাটতি। শুধু ২৯ সেপ্টেম্বরেই সারা দেশে বৃষ্টি হয়েছে ১.৫ মিলিমিটার, স্বাভাবিক ৩.৭ মিলিমিটার।
ডাউন টু আর্থ বলছে, বৃষ্টির ঘাটতি ও দেরিতে বপনে খরিফ ফসল, বিশেষ করে ডাল ও মোটা দানার শস্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দীর্ঘ শুষ্ক সময়ে সেচে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা বেড়েছে, এতে এমনিতেই চাপে থাকা পানির স্তরে আরও টান পড়ছে। প্রতিবেদনটি করেছেন দয়ানিধি।
ছবি: Biswarup Ganguly / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: ডাউন টু আর্থ





মন্তব্য
(০)