যাত্রাবাড়ির মনিমালা খান শহরের ব্যস্ত জীবনের মধ্যেও ছাদকৃষির মাধ্যমে প্রাকৃতিক সবুজ পরিবেশ গড়ে তুলেছেন। তিন স্তরের এই ছাদে তিনি জৈব সার ও বালাইনাশক ব্যবহার করে শতভাগ নিরাপদ ফল, সবজি এবং ঔষধি গাছ উৎপাদন করছেন। নিজের পরিবারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি প্রতিবেশী ও আত্মীয়দের মাঝেও ফসল বিতরণ করেন তিনি। মনিমালার মতো ছাদকৃষি উদ্যোক্তারা শহরে সবুজায়ন এবং পরিবেশ সংরক্ষণে অনন্য ভূমিকা পালন করছেন।
যাত্রাবাড়িতে মনিমালা খানের ছাদকৃষির সাফল্য | পর্ব ৩১৯
যাত্রাবাড়ির মনিমালা খান শহরের ব্যস্ত জীবনের মধ্যেও ছাদকৃষির মাধ্যমে প্রাকৃতিক সবুজ পরিবেশ গড়ে তুলেছেন। তিন স্তরের এই ছাদে তিনি জৈব সার ও বালাইনাশক ব্যবহার করে শতভাগ নিরাপদ ফল, সবজি এবং ঔষধি গাছ উৎপাদন করছেন। নিজের পরিবারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি প্রতিবেশী ও আত্মীয়দের মাঝেও ফসল বিতরণ করেন তিনি। মনিম
ছাদকৃষি
সম্পর্কিত খবর
ছাদকৃষিশীতের ছাদবাগান: কোন সবজি ও ফুল লাগাবেন, কেমন হবে টব আর মাটি
শীতের ছাদবাগানের প্রস্তুতি এখনই; ১২-১৫ ইঞ্চির টবে সবজি, ফুলের জন্য দোআঁশ মাটি, কম্পোস্ট ও কোকোপিটের মিশ্রণ, আর দিনে অন্তত ৫-৬ ঘণ্টা রোদ।
ছাদকৃষিরাজশাহীর ছাদে ১১০ প্রজাতির সাড়ে তিন হাজার গাছ, চারা বেচে বছরে ১২ লাখ টাকা
রাজশাহীর বিনোদপুরে নিজের ছাদবাগান থেকে চারা ও টব বিক্রি করে বছরে প্রায় ১২ লাখ টাকা আয় করছেন শারমিন আক্তার। ছাদবাগান বিভাগে জাতীয় বৃক্ষরোপণ পুরস্কারে প্রথম হয়েছেন তিনি।
ছাদকৃষিভাড়া ছাদে সাকুলেন্ট-ক্যাকটাসের চারা, রামপুরার রাঙ্গুলি মাসে বেচে ২ লাখ টাকার গাছ
করোনাকালে শখের ছাদবাগান থেকে শুরু; এখন মাসে পাঁচ হাজার টাকায় ভাড়া নেওয়া ছাদে কাটিং থেকে চারা তৈরি করে অনলাইনে মাসে প্রায় দুই লাখ টাকার শৌখিন গাছ বিক্রি করেন ইয়াসমিন খান।


মন্তব্য
(০)