টানা দ্বিতীয় মাসে বাড়ল তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। নভেম্বরের জন্য বেসরকারি খাতের ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন দাম সোমবার (২ নভেম্বর) রাত ৮টা থেকে কার্যকর হয়েছে। বেসরকারি এলপিজির প্রতি কেজির দাম এখন ১৭১ টাকা ৬৮ পয়সা।
বিইআরসি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির কাঁচামালের দাম এবং আমদানিকারক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন বাড়ায় দাম সমন্বয় করা হয়েছে। নভেম্বরে সৌদি আরামকো প্রতি টন প্রোপেনের দাম ৭২০ ডলার ও বিউটেনের দাম ৭৮০ ডলার ঠিক করেছে। ৩৫:৬৫ অনুপাতে মিশ্রণ ধরে গড় সৌদি চুক্তিমূল্য দাঁড়িয়েছে টনপ্রতি ৭৫৯ ডলার; জাহাজভাড়া, ট্রেডারের প্রিমিয়াম ও ডলারের বিনিময় হারও হিসাবে ধরা হয়েছে।
চূড়ান্ত দাম প্রস্তাবের চেয়েও বেশি। গত ২৯ অক্টোবর বিইআরসির কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৯৭৬ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছিল। অক্টোবরে এক দফায় দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা করা হয়েছিল।
কমিশন বেড়েছে প্রতিটি পর্যায়ে। ১২ কেজি সিলিন্ডারে আমদানিকারকের মজুত ও বোতলজাতকরণ চার্জ ২০০ টাকা থেকে বেড়ে ২৮১ টাকা ৭৬ পয়সা, ডিলারের কমিশন ৫০ থেকে ৮৫ টাকা এবং খুচরা বিক্রেতার কমিশন ৪৫ থেকে ৭০ টাকা হয়েছে।
সরকারি প্রতিষ্ঠান এলপি গ্যাস পিএলসির ১২ দশমিক ৫০ কেজি সিলিন্ডারের দাম ঠিক হয়েছে ১ হাজার ৮৬০ টাকা। অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটার ৯১ টাকা ৯৫ পয়সা। রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে সরবরাহ করা বেসরকারি এলপিজির দাম তরল অবস্থায় প্রতি কেজি ১৬৫ টাকা ৮৫ পয়সা, গ্যাসীয় অবস্থায় প্রতি লিটার ৩৬ টাকা ৮৫ পয়সা এবং প্রতি ঘনমিটার ৩৬৮ টাকা ৫০ পয়সা।
নির্ধারিত দামে বাজারে এলপিজি না পাওয়ার অভিযোগ আগে থেকেই আছে। গত মাসের শেষ দিকে সরবরাহ সংকটে ১ হাজার ৫৮৫ টাকার সিলিন্ডার কোথাও কোথাও ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রির খবর পাওয়া যায়।
প্রতিবেদনটি সারাবাংলার।
ছবি: Press Information Department / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: সারাবাংলা





মন্তব্য
(০)