যুক্তরাজ্যের পরিবেশ সংগঠন ওয়াইল্ডলাইফ ট্রাস্টসের "ডুয়িং ডেইরি ডিফারেন্টলি" প্রতিবেদনের দাবি, বড় আকারের "মেগা-ডেইরি" প্রকৃতিকে বিপর্যয়ের কিনারে ঠেলে দিচ্ছে। কৃষক প্রতিনিধিরা এ দাবি নাকচ করেছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী যুক্তরাজ্যে এমন খামার ৪০টির বেশি, সবচেয়ে বড়টিতে প্রায় ২,৬০০ গাভী; আর গত পাঁচ বছরে ইংল্যান্ডে গুরুতর কৃষি দূষণের ৭১ শতাংশ দুগ্ধ কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সারা বছর গবাদিপশু ঘরে রাখা খামারের সংখ্যা এক দশকে দ্বিগুণের বেশি হয়েছে, ফলে গোবর-মূত্রের তরল বর্জ্য (স্লারি) বেড়েছে; অথচ শূকর ও মুরগির খামারের মতো বড় দুগ্ধ ও গরুর খামারে সরকারি নজরদারি নেই। সংগঠনটি সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবস্থার জন্য কঠোর নিয়ম, বিশেষ করে খুব বড় আবদ্ধ খামার ও চারণ কম এমন খামারে পরিবেশ অনুমতিপত্র চেয়েছে।
এনএফইউর দুগ্ধ বোর্ডের চেয়ারম্যান ইয়ান হার্ভি বলেন, আসল বিষয় খামার কতটা ভালোভাবে চালানো হয়; নিঃসরণ, পুষ্টি ব্যবস্থাপনা ও পানি সুরক্ষায় খামারগুলোর বিনিয়োগ এবং পরিবেশ সংস্থার তথ্যে গত বছর নিয়মভঙ্গ পাঁচ বছরের গড়ের চেয়ে ৫ শতাংশ কমার কথা তুলে ধরেন তিনি। এএইচডিবির পল ফ্লানাগান বলেন, চারণভিত্তিক, মিশ্র ও আবদ্ধ, সব ব্যবস্থাই ভালো ব্যবস্থাপনায় ভালো ফল দিতে পারে; ঢালাও নিয়ম কেবল খরচ বাড়াবে।
ডেইরি ইউকের এমা গ্রেগসন সরকারি সহায়তা বাড়ানোর দাবি জানিয়ে বলেন, ১০ কোটি ৮০ লাখ পাউন্ডের স্লারি অবকাঠামো অনুদানে আবেদন করা ২,০৮৭ জন কৃষকের মধ্যে মাত্র ১৮৬ জন, অর্থাৎ ৯ শতাংশ, অর্থ পেয়েছেন।
ছবি: Keith Weller, USDA / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: Farmers Weekly





মন্তব্য
(০)