সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৪ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৭০%বাতাস ৮ কিমি/ঘ

ইলিশ ধরা বন্ধের ১৭ দিন পরও চাল পাননি লালমোহনের ১৬ হাজার জেলে

মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার ১৭ দিন পেরোলেও ভোলার লালমোহনের ছয় ইউনিয়নের প্রায় ১৬ হাজার ৫৭৫ জেলে বরাদ্দের ২৫ কেজি করে ভিজিএফ চাল পাননি; তালিকা প্রস্তুতে সমন্বয়হীনতাকে দায়ী করছেন ইউপি চেয়ারম্যানরা।

ইলিশ ধরা বন্ধের ১৭ দিন পরও চাল পাননি লালমোহনের ১৬ হাজার জেলে
মৎস্য

ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা বন্ধের ১৭ দিন পার হলেও ভোলার লালমোহন উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের প্রায় ১৬ হাজার ৫৭৫ জন জেলে তাঁদের বরাদ্দের মৎস্য ভিজিএফ চাল পাননি। জনপ্রতি ২৫ কেজি করে এই চাল ৭ অক্টোবরের মধ্যে বিতরণের কথা ছিল।

৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর মৎস্য অভয়ারণ্য এলাকায় সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ। এ সময় ইলিশ ধরা, বিক্রি, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বাজারজাত সবই দণ্ডনীয়। কর্মহীন জেলেদের জন্য সরকার এই সময়ে ২৫ কেজি করে চাল দেয়।

জেলেদের অভিযোগ, তালিকাভুক্ত হয়েও অনেক প্রকৃত জেলে চাল পান না। লালমোহনে ২৪ হাজারের বেশি জেলে তালিকাভুক্ত, অথচ চাল বরাদ্দ হয়েছে প্রায় ২১ হাজার জনের জন্য। চাল বিতরণে অস্বচ্ছতার অভিযোগও বরাবরের।

মেঘনা পাড়ের জেলে কামরুল মাঝি, মাকসুদ মাঝি, আব্বাস মাঝি ও রুবেল মাঝি জানান, নিষেধাজ্ঞায় আয়ের মূল উৎস বন্ধ, সরকারি চালই তখন একমাত্র ভরসা। সময়মতো চাল না পাওয়ায় ঋণ বাড়ছে, সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ মেটানো যাচ্ছে না, এনজিওর কিস্তিও শোধ করতে হচ্ছে ধারদেনা করে।

বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা বলছেন, তালিকা প্রস্তুত ও যাচাই-বাছাইয়ে সমন্বয়ের অভাবে চাল বিতরণ দেরি হয়েছে, দ্রুতই তা শেষ হবে। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আলী আহমেদ আখন্দ জানান, চাল বিতরণের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্তদের বারবার তাগিদ দেওয়া হয়েছে, দু-এক দিনের মধ্যে বিতরণ শেষ হবে।

নিষেধাজ্ঞা শেষ হতে আর পাঁচ দিন বাকি। মা ইলিশ রক্ষার এই কর্মসূচি সফল রাখতে জেলেদের নদীতে না নামা জরুরি, আর তার জন্য সহায়তার চাল সময়মতো পৌঁছানোই সবচেয়ে বড় শর্ত।

প্রতিবেদনটি দৈনিক বাংলার লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধির।

ছবি: ভোলায় মেঘনার পাড়ে জেলেদের নৌকা, Toushik.hamid / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: দৈনিক বাংলা

দৈনিক বাংলাসূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

বুড়ির বাঁধের গেট খুলতেই মাছ ধরার উৎসব, তবে এবার মাছ কম

ঠাকুরগাঁও সদরের শুক নদীর বুড়ির বাঁধের পাঁচটি গেট খুলে দেওয়ার পর শনিবার ভোর থেকে হাজারো মানুষ মাছ ধরতে নেমেছেন; তবে রিং ও কারেন্ট জালের কারণে দেশি মাছ কমে যাওয়ার অভিযোগ করছেন শৌখিন শিকারিরা।

দেশ রূপান্তর২৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

সুন্দরবনের দুয়ার খুললেও মাছ-কাঁকড়া ধরতে যেতে পারছেন না অনেক জেলে

তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া ধরার অনুমতি মিললেও বৈরী আবহাওয়া, মরা কাটাল, নৌকা নিয়ে যাওয়ার খরচ আর বনদস্যুদের চাঁদার আতঙ্কে কয়রার অনেক জেলে বনে যেতে পারছেন না।

কৃষি সময়২৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

১০টি হাঁসের ডিম থেকে ১৬ একরের সমন্বিত খামার, নোয়াখালীর বিবি রহিমার লড়াই

নোয়াখালী সদরের দরবেশপুরের বিবি রহিমা ২৩ বছর আগে প্রতিবেশীর ১০টি হাঁসের ডিম মুরগির নিচে ফুটিয়ে শুরু করেছিলেন; এখন তাঁর প্রায় ১৬ একরের খামারে মাছের ঘের, গরু-ছাগল, ৫০০ হাঁস, ৩৫০ মুরগি ও সবজি।

প্রথম আলো২৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)