সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৫৩%বাতাস ৬ কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৬ মিমি

কুয়াকাটায় পর্যটক খরা, খালি পড়ে আছে হোটেলের বেশিরভাগ কক্ষ

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় ঈদের ছুটিতেও দেখা মিলছে না কাঙ্ক্ষিত পর্যটকের। প্রতিবছর ঈদকে কেন্দ্র করে পর্যটকের ঢলে মুখর থাকে সৈকত এলাকা। হোটেল-মোটেলগুলোতে পাওয়া যায় না কক্ষ। তবে চলতি বছর চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় ঈদের ছুটিতেও দেখা মিলছে না কাঙ্ক্ষিত পর্যটকের। প্রতিবছর ঈদকে কেন্দ্র করে পর্যটকের ঢলে মুখর থাকে সৈকত এলাকা। হোটেল-মোটেলগুলোতে পাওয়া যায় না কক্ষ। তবে চলতি বছর চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।

ঈদের দ্বিতীয় দিন ও সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার হওয়া সত্ত্বেও পর্যটকের উপস্থিতি ছিল অনেকটাই কম। এতে হতাশ হয়ে পড়েছেন হোটেল মালিক, ব্যবসায়ী ও পর্যটনসংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কুয়াকাটার ২৩০টির বেশি আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট ও গেস্ট হাউজের বেশিরভাগই আশানুরূপ বুকিং হয়নি। কোথাও ২০ শতাংশ, কোথাও ৪০ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়েছে। অনেক হোটেলে অর্ধেকেরও বেশি কক্ষ ফাঁকা পড়ে রয়েছে। ঈদ মৌসুমকে ঘিরে যেসব ব্যবসায়ী বড় ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন, তাদের অনেকেই এখন লোকসানের শঙ্কা করছেন।

কুয়াকাটা সৈকতের জিরো পয়েন্ট, লেম্বুরবন, গঙ্গামতি, ঝাউবন, ব্লক পয়েন্ট ও তিন নদীর মোহনাসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখা গেছে, অন্যান্য বছরের তুলনায় পর্যটকের আনাগোনা অনেক কম। সৈকতে ভ্রাম্যমাণ দোকান, ফটোগ্রাফার, মোটরসাইকেল ও ঘোড়ার ব্যবসায়ীরাও অলস সময় পার করছেন।

সিকদার রিসোর্ট অ্যান্ড বিলাসের জিএম আল-আমিন খান জাগো নিউজকে বলেন, ‌'ঈদকে কেন্দ্র করে আমরা প্রতিবছর ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে থাকি। পর্যটকদের জন্য বিশেষ খাবার, সাংস্কৃতিক আয়োজন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। কিন্তু এবার সেই তুলনায় পর্যটক উপস্থিতি খুবই কম। অনেক কক্ষ এখনো ফাঁকা পড়ে আছে।'

দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক অবস্থা, যাতায়াত ব্যয় বৃদ্ধি এবং মানুষের ব্যয় সংকোচনের কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

হোটেল বেস্ট সাউদার্নের পরিচালক মো. সাকুর বলেন, 'আমাদের হোটেলে মোট ৩২টি কক্ষ রয়েছে। ঈদের এই সময়ে সাধারণত এক সপ্তাহ আগেই সব কক্ষ বুকিং হয়ে যায়। কিন্তু এবার মাত্র ১৯টি কক্ষ বুকিং হয়েছে। গত ১০ বছরে এমন নীরব ঈদ মৌসুম আমরা দেখিনি। পর্যটক কম হওয়ায় শুধু হোটেল ব্যবসাই নয়, এর সঙ্গে জড়িত শত শত শ্রমিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীও ক্ষতির মুখে পড়েছেন।'

কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ বলেন, 'পর্যটক কম হওয়ায় হোটেল খাতের কর্মচারীরাও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। কুয়াকাটার অর্থনীতি মূলত পর্যটননির্ভর। পর্যটক না থাকলে হোটেল, রেস্তোরাঁ, পরিবহন, দোকানপাট—সবখানেই নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।'

তিনি বলেন, 'বর্তমানে বেশিরভাগ হোটেলের বুকিং আশানুরূপ নয়। যদি ঈদের বাকি দিনগুলোতেও একই অবস্থা থাকে, তাহলে ব্যবসায়ীদের বড় ধরনের লোকসান গুনতে হবে।'

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) প্রেসিডেন্ট রুমান ইমতিয়াজ তুষার জাগো নিউজকে বলেন, 'আমরা ধারণা করেছিলাম দীর্ঘ ছুটি থাকায় এবার পর্যটকের সংখ্যা বেশি হবে। কিন্তু বাস্তবে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকলে ঈদের পরবর্তী দিনগুলোতে পর্যটকের চাপ বাড়তে পারে। আমরা পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন প্রচারণা চালাচ্ছি।'

পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৈকতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ট্যুরিস্ট পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে বলে জানান ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের ইনচার্জ জয়ন্ত কুমার।

তিনি বলেন, পর্যটকরা যাতে নির্বিঘ্নে ঘুরে বেড়াতে পারেন, সেজন্য সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হচ্ছে। যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

আসাদুজ্জামান মিরাজ/এসআর/এমএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

বাংলাদেশ

AEZ-০৭: সক্রিয় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা প্লাবনভূমি, যেখানে নদী জমি গড়ে আবার কেড়েও নেয়

নদীভাঙন, নতুন চর, বালু-পলির মাটি আর অনিশ্চিত বন্যার মৌসুম। কুড়িগ্রাম থেকে মানিকগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার হেক্টরের এই অঞ্চলে কৃষিকে টেকসই করতে দরকার জমিভিত্তিক তথ্য, উপগ্রহচিত্রের পর্যবেক্ষণ আর সময়মতো পরিকল্পনা।

তানিয়া চৌধুরী১ নভেম্বর ২০২৬১৩ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বরেন্দ্রে বছরে ০.৬ মিটার পর্যন্ত নামছে পানির স্তর, সমন্বিত পানিনীতির দাবি

রাজশাহীতে নীতি সংলাপে বিশেষজ্ঞ ও জনপ্রতিনিধিরা ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানি, খাল-বিল সংস্কার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও কম পানির ফসলের ওপর জোর দিয়েছেন।

বাসস১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

দুই উৎসের বর্জ্য ঠেকালে হালদার ৮০ শতাংশ দূষণ কমতে পারে, বলছেন গবেষকেরা

অনন্যা আবাসিক এলাকা হয়ে আসা সিটি করপোরেশনের বর্জ্য আর বাহির সিগন্যাল শিল্প এলাকার বর্জ্য সামলাতে পারলে হালদার দূষণ অনেকটাই কমবে; এ বছর মা-মাছের ডিম মিলেছে প্রায় ৬ হাজার কেজি।

দৈনিক বাংলা১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)