যশোরের কেশবপুরে পদ্মবিল ও মর্শিনা বিলের সংযোগস্থল কোমরপুরের কাটা খালে মাছশিকারিদের দেওয়া অবৈধ বাঁশের বেড়া ও জাল উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার দুপুরের অভিযানের পর পানি নামতে শুরু করায় তলিয়ে যাওয়া প্রায় ৬০০ বিঘা জমির আমন ধান রক্ষা পেয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস ও স্থানীয়রা জানান, রোববার ও সোমবারের টানা বৃষ্টিতে সাতবাড়িয়া, কড়িয়াখালী, বেগমপুর ও জাহানপুর বিলসহ পদ্মবিলের আমনখেত পানিতে ডুবে যায়। বিলের পানি কাটা খাল হয়ে হরিহর নদে নামার কথা, কিন্তু কয়েকজন মাছশিকারি খালের মুখে বাঁশের বেড়া ও জাল দিয়ে পানির পথ আটকে রেখেছিলেন।
কৃষকদের অভিযোগের পর ইউএনও আনোয়ার হোসেনের নির্দেশে জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ বিশ্বাস আনসার-ভিডিপি সদস্যদের নিয়ে অভিযান চালান। পদ্মবিল ও মর্শিনা বিলের আটটি জায়গা থেকে প্রায় চার হাজার মিটার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করে নষ্ট করা হয়।
নতুন মূলগ্রামের কৃষক জাকারিয়ার পাঁচ বিঘা এবং জাহানপুরের কৃষক আব্দুস সামাদের চার বিঘা জমির ধান তলিয়ে গিয়েছিল। আব্দুস সামাদ বলেন, প্রশাসন বেড়া ও জাল সরানোয় কৃষকের ডুবে যাওয়া ধান রক্ষা পেয়েছে।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শুভংকর মোড়ল বলেন, দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা হওয়ায় আমনের আর ক্ষতি হবে না।
প্রতিবেদনটি আজকের পত্রিকার কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধির।
ছবি: আজকের পত্রিকা
সূত্র: আজকের পত্রিকা





মন্তব্য
(০)