ভারতের কর্ণাটকে বিক্রি হওয়া পেট্রোলে জাতীয় ই২০ সীমার চেয়ে বেশি ইথানল পাওয়া গেছে। রাজ্যের লিগ্যাল মেট্রোলজি বিভাগ শুক্রবার পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে জানায়, ১৪টি নমুনার ১১টিতেই ইথানল ২০ শতাংশের বেশি। সর্বোচ্চ ৩১.২ শতাংশ মিলেছে ইন্ডিয়ান অয়েলের সরবরাহ করা পেট্রোলে।
হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়ামের একটি নমুনায় ছিল ৩০.৫ শতাংশ। অন্য নমুনাগুলোয় হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম ২৭, ভারত পেট্রোলিয়াম ২৬.৫, নায়ারা ২৬.১ এবং শেল ২৫.৫ শতাংশ। সীমার মধ্যে ছিল মাত্র তিনটি: ভারত পেট্রোলিয়াম ১৯.৯, ম্যাঙ্গালোর রিফাইনারি ১৯.২ এবং শেল ১৩.৫ শতাংশ।
খাদ্য ও বেসামরিক সরবরাহমন্ত্রী রিজওয়ান আরশাদের (Rizwan Arshad) নির্দেশে বেঙ্গালুরু, কোলার, চিক্কাবল্লাপুরা, বেঙ্গালুরু গ্রামীণ, রামনগর, ম্যাঙ্গালুরু ও তুমকুরু, এই সাত জেলা থেকে নমুনা নেওয়া হয়। বিভাগ জানিয়েছে, সারা রাজ্যে মোট ৬৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
আরশাদ বলেছেন, ই২০ পেট্রোলে ভোক্তার ক্ষতি হবে না, কেন্দ্রের এই আশ্বাসে রাজ্য ভরসা করেছিল। দেশের পেট্রোলে আসলে কতটা ইথানল আছে, পেট্রোলিয়াম ও সড়ক পরিবহনমন্ত্রীর কাছে তা জানতে চেয়েছেন তিনি।
বিভাগের হিসাবে গাড়িচালকদের বছরে খরচ বাড়তে পারে প্রায় ১.০১ লাখ কোটি রুপি: কম মাইলেজে প্রায় ৬২ হাজার কোটি, আর ফুয়েল পাম্প, ফিল্টার, ইনজেক্টর, হোস ও সিল মেরামতে ৩৯ হাজার কোটি রুপি। বিভাগ বলছে, ভারতের ৩৫ কোটি যানবাহনের প্রায় ৯৯ শতাংশ ই২০-র বেশি মিশ্রণের জন্য তৈরি নয়। এই হিসাব রাজ্য বিভাগের নিজস্ব; প্রতিবেদনে তেল কোম্পানি বা কেন্দ্রীয় সরকারের বক্তব্য নেই।
কর্ণাটক চায় পাম্পে ইথানলের মাত্রা প্রকাশ, একাধিক মিশ্রণের জ্বালানি এবং সীমার বেশি সরবরাহকারী কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা। যাচাই করা ক্ষতির অর্থ নির্দিষ্ট সময়ে ফেরত দিতে একটি ক্ষতিপূরণ তহবিলের প্রস্তাবও দিয়েছে রাজ্যটি। ২০০৫ সালের জ্বালানি সরবরাহ আদেশের অধীনে নমুনা পরীক্ষা চলবে; এই আদেশে জেলা প্রশাসন ও অনুমোদিত পুলিশ কর্মকর্তারা অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেন।
ছবি: Sandeepdwivedisd / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: Rural Voice



মন্তব্য
(০)