আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ক্ষুরারোগমুক্ত অঞ্চলে রোগটি নিশ্চিত হওয়ার পর নামিবিয়া দ্বিখণ্ডিত খুরওয়ালা সব পশু ও তাদের পণ্যের চলাচল এবং আমদানি-রপ্তানি স্থগিত করেছে। খবরটি দিয়েছে ফার্মার্স উইকলি সাউথ আফ্রিকা।
ভারপ্রাপ্ত কৃষিমন্ত্রী চার্লস মুবিতা ২৩ সেপ্টেম্বর পার্লামেন্টে জানান, নিয়মিত নজরদারিতে কারাসবুর্গ রাষ্ট্রীয় পশুচিকিৎসা জেলার একটি বাণিজ্যিক খামারে রোগের লক্ষণসহ ১১টি গরু থেকে ২২ সেপ্টেম্বর নমুনা নেওয়া হয়; উইন্ডহুকের কেন্দ্রীয় পশুচিকিৎসা গবেষণাগারে ১০টিতে ক্ষুরারোগ ধরা পড়ে। তাঁর ভাষায়, এতে বিশ্ব প্রাণিস্বাস্থ্য সংস্থা স্বীকৃত রোগমুক্ত অঞ্চলে সক্রিয় প্রাদুর্ভাব নিশ্চিত হলো।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় গরু, ভেড়া, ছাগল, শূকর ও বন্যপ্রাণী এবং চামড়া, দুগ্ধ ও মাংসের মতো পণ্য—পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত। এতে দেশের অন্যতম প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের খাত লাল মাংস রপ্তানি তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে, তা-ও উইন্ডহুক শো লাইভস্টক এক্সপোর মাত্র ছয় দিন আগে। মুবিতা অর্থনীতি ও জীবিকার ওপর গুরুতর প্রভাবের কথা স্বীকার করে দ্রুততম সময়ে রোগ নিয়ন্ত্রণের আশ্বাস দেন।
নামিবিয়া কৃষি ইউনিয়নের সভাপতি থিনাস প্রিটোরিয়াস পশুচিকিৎসা বিভাগের পাশে থাকার কথা জানিয়ে খামারিদের সব চলাচল বন্ধ রাখা, সরকারি নির্দেশ মানা, সন্দেহজনক ঘটনা জানানো, খামারে কঠোর জৈব নিরাপত্তা এবং যাচাইহীন তথ্য না ছড়ানোর আহ্বান জানান। তাঁর ভাষায়, এই রোগ বেড়া বা সীমানা মানে না; একটি অনুমোদনহীন চালান, একটি অজানানো ঘটনা বা একজন অসতর্ক দর্শনার্থী সবার চেষ্টা নষ্ট করে দিতে পারে।
প্রাদুর্ভাব দ্রুত নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রের পূর্ণ সম্পদ কাজে লাগাতে সরকারকে জরুরি অবস্থা ঘোষণার আহ্বান জানিয়েছে ইউনিয়নটি।
ছবি: Jean Bucher & Hp.Baumeler / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: Farmers Weekly South Africa





মন্তব্য
(০)