আয়ারল্যান্ডের সরকারি কৃষি গবেষণা ও পরামর্শ সংস্থা টিগাস্কের (Teagasc) প্রাথমিক বিশ্লেষণ বলছে, ২০২৬ সালের মৌসুমে অনেক শস্যচাষির মুনাফা খুব কম হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ কম ফলন।
অথচ এক বছরে দেশটিতে শস্যের দাম টনপ্রতি প্রায় ২০ ইউরো বেড়েছে। গত ১২ মাসে মুনাফায় আরেকটি চাপ এসেছে সার, জ্বালানি ও শ্রমের খরচ অনেক বেড়ে যাওয়ায়।
টিগাস্কের শস্যচাষ বিশেষজ্ঞ শে ফেলান (Shay Phelan) বলেন, ‘সব ফসলেই ফলন ছিল খুব অসম। আর খরাই সব পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।’ কিছু বসন্তকালীন যবের ফলন মোটামুটি ভালো হলেও অন্যগুলো ভালো করেনি, আর শীতকালীন যব খরায় সব জায়গায় বড় ক্ষতির মুখে পড়েছে।
গত দুই বছর শীতকালীন সরিষা জাতীয় তেলবীজ (অয়েলসিড রেপ) ছিল সাফল্যের গল্প, তবে তা ফলনের জোরে নয়, দামের জোরে; ফলন ছিল মাঝারি। ফেলান মনে করেন, ২০২৬-২৭ মৌসুমে এর আবাদ খুব বেশি বাড়বে না, কারণ ফসলচক্রের সীমাবদ্ধতায় কোনো কোনো এলাকায় আর জায়গা নেই।
বড় খামারগুলোতে শীতকালীন দানাশস্য বোনা দ্রুত এগোচ্ছে, তবে আগাম বোনায় ঝুঁকি ও খরচ বাড়ে বলে সতর্ক করেছেন ফেলান। বার্লি ইয়েলো ডোয়ার্ফ ভাইরাসের (বিওয়াইডিভি) ঝুঁকি এখন বেশি; সহনশীল জাত আর জাবপোকার বিরুদ্ধে কীটনাশক সাহায্য করে, কিন্তু তার ভাষায়, ‘দুটো একসঙ্গেও পুরো নিশ্চয়তা দেয় না।’ আগাম বোনা ফসলে ঘাসজাতীয় আগাছা দমন কঠিন, গাছ হেলে পড়ার ঝুঁকিও বেশি।
তিনি বলেন, ‘২০২৬ সালের ফসল দেখিয়ে দিয়েছে, শেষ ফলনই মুনাফার মূল চালিকাশক্তি।’
প্রতিবেদনটি এগ্রিল্যান্ডের জন্য লিখেছেন রিচার্ড হ্যালেরন।
ছবি: Colin Grice / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: Agriland





মন্তব্য
(০)