ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন কোম্পানিগুলো ২০২৬-২৭ সরবরাহ বছরে সরকারি উদ্বৃত্ত চাল ও নষ্ট খাদ্যশস্য থেকে তৈরি ইথানলের পরিমাণ বেঁধে দিয়েছে। রুরাল ভয়েস জানিয়েছে, এতে ডিস্টিলারিগুলো ভুট্টার দিকে ঝুঁকতে পারে, যা পোলট্রি, পশুখাদ্য ও স্টার্চ শিল্পের দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে।
৩ নভেম্বরের সংশোধিত শর্ত অনুযায়ী ফুড করপোরেশন অব ইন্ডিয়ার ৭২ লাখ টন উদ্বৃত্ত চাল থেকে প্রথম তিন প্রান্তিকে সর্বোচ্চ ৩২৪ কোটি লিটার ইথানল নেওয়া হবে, প্রান্তিকে ১০৮ কোটি লিটার। কোনো উৎপাদক কোনো প্রান্তিকে তার মোট প্রস্তাবের ৩০ শতাংশের বেশি এই উৎস থেকে দিতে পারবে না।
নষ্ট খাদ্যশস্যের ইথানলের সীমা বছরে ১৬০ কোটি লিটার, প্রান্তিকে ৪০ কোটি লিটার। দুই উৎস মিলে সর্বোচ্চ ৪৮৪ কোটি লিটার, যা ১ হাজার ১০০ কোটি লিটারের দরপত্রের প্রায় ৪৪ শতাংশ।
বাকিটা আসতে হবে ভুট্টা ও অন্য কাঁচামাল থেকে। আখের পথ আগেই প্রায় বন্ধ। চিনির প্রাপ্যতা ও দাম নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে ১৬ অক্টোবরের দরপত্রে আখের রস, চিনির সিরাপ, চিনি ও বি-হেভি মোলাসেসের ইথানলের প্রস্তাব চাওয়া হয়নি। শুধু সি-হেভি মোলাসেস ছাড় পেয়েছে।
শুরুতে আখনির্ভর এই কর্মসূচিতে চিনিকলের বাড়তি আয় হতো, আখচাষিরাও উপকৃত হতেন; সেখান থেকে এটি বড় বদল। এখন ভুট্টায় টান পড়লে তা সরাসরি পোলট্রি, পশুখাদ্য ও স্টার্চ শিল্পে গিয়ে লাগবে।
দেশটির প্রধান বাজারগুলোতে ভুট্টার দাম এখনই কেজিতে ২৯-৩০ রুপি, যেখানে ২০২৬-২৭ মৌসুমের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ২৪ রুপি। ইথানলের বাড়তি চাহিদায় সরবরাহ আরও কমে দাম বাড়তে পারে, যার চাপ পড়বে পশুখাদ্য উৎপাদকের খরচে।
ছবি: Devendramanaskar / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC0)
সূত্র: Rural Voice




মন্তব্য
(০)