মেঘনাপাড়ের ছয় ইউনিয়নের উপজেলা চাঁদপুরের হাইমচরের অর্থনীতির বড় চালিকাশক্তি সুপারি। বছরে প্রায় ১০০ কোটি টাকার সুপারি বিক্রি হয়, যা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের নানা অঞ্চলে যায়। চ্যানেল আই অনলাইনের প্রতিবেদক মোরশেদ আলম খবরটি দিয়েছেন।
মেঘনার পূর্ব পাড়ের বাড়ি, বাগান আর পানের বরজের চারপাশে সুপারিবাগান; এমন কোনো বাড়ি নেই যেখানে সুপারিগাছ নেই। এবার উপজেলার ৫২৮ হেক্টরে সুপারির আবাদ হয়েছে। ভাদ্র আর আশ্বিনে বিক্রি বেশি হয়; ব্যবসায়ীরা কৃষকের কাছ থেকে কিনে স্থানীয় হাওলাদার বাজারের পাইকারি আড়তে জমা করেন।
উপজেলার সবচেয়ে বড় এই পাইকারি বাজারে ১০ জন বড় ব্যবসায়ী আছেন। হাইমচরের পাশাপাশি লক্ষ্মীপুর ও রায়পুর থেকেও সুপারি আসে, আর শুধু এ বাজারেই বছরে ৩০ থেকে ৩৫ কোটি টাকার সুপারি বিক্রি হয়।
হাইমচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাকিল খন্দকার জানান, এখন ৮০টি সুপারি ১৬০ থেকে ২০০ টাকা এবং শুকনা সুপারি কেজিপ্রতি ৩৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তাঁর মতে, সুপারি বিক্রি করে এখানকার কৃষকেরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী।
একজন কৃষক বছরে অন্তত ৭০ হাজার থেকে এক লাখ টাকার সুপারি বিক্রি করে সংসার চালান। তবে দেশীয় চাষিদের সুরক্ষায় বিদেশ থেকে সুপারি আমদানি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
হাইমচরে পান আর সুপারি একই বাড়ির দুই ফসল: বরজের চারপাশে সুপারিগাছ, ভেতরে পানের লতা। পানের মতো সুপারির দামও বাজার আর আমদানির ওপর নির্ভর করে, তাই চাষিদের দাবিটি তাঁদের আয়ের বড় অংশের প্রশ্ন।
ছবি: Agnieszka Kwiecień, Nova / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: চ্যানেল আই অনলাইন





মন্তব্য
(০)