সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৫৫%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

ছাদগুলো সবুজ করা গেলে কিছুটা হলেও ঢাকার প্রাণ ফিরবে: প্রধান বন সংরক্ষক

রাজধানী ঢাকায় মোট এলাকার মাত্র ১০ দশমিক ৫ শতাংশ সবুজ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী।

রাজধানী ঢাকায় মোট এলাকার মাত্র ১০ দশমিক ৫ শতাংশ সবুজ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী।

তিনি বলেন, বিশ্বের মানদণ্ড অনুযায়ী একটি শহরকে বাসযোগ্য রাখতে প্রায় ২০ শতাংশ সবুজ থাকা প্রয়োজন। তবে ঢাকায় সেই পরিমাণে সবুজায়নের সুযোগ সীমিত। তাই শহরের ভবনগুলোর ছাদকে সবুজ করার মাধ্যমে ঢাকায় কিছুটা হলেও সবুজ ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

রোববার (৯ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বন ভবনে জাতীয় বৃক্ষমেলা-২০২৬ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম এবং বাংলাদেশ জলবায়ু ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী রওনাকুল ইসলাম (টিপু)।

প্রধান বন সংরক্ষক বলেন, 'দুই বছর আগে আমরা ঢাকা শহরে একটি জরিপ করেছিলাম। সেখানে দেখা গেছে, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মিলিয়ে মোট এলাকার মাত্র ১০ দশমিক ৫ শতাংশ সবুজ রয়েছে। বাকি অংশে সবুজ নেই।'

মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী বলেন, 'বিশ্বের স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী কোনো শহরে প্রায় ২০ শতাংশ সবুজ থাকলে বলা যায়, সেই শহরের প্রাণ আছে এবং সেটি বাসযোগ্য শহর। কিন্তু আমাদের বাস্তবতা হচ্ছে, ঢাকা শহরে ২০ শতাংশ সবুজায়ন করার জায়গা অত্যন্ত সীমিত।'

এ অবস্থায় বিকল্প হিসেবে ঢাকার ভবনগুলোর ছাদকে সবুজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি আরও বলেন, 'ঢাকা শহরের সমস্ত ভবনের ছাদ হিসাব করলে দেখা যাবে, অনেক জেলার মোট আয়তনের চেয়েও ঢাকার ছাদের আয়তন বেশি। সেই ছাদগুলোকে যদি সবুজ করতে পারি, তাহলে ঢাকা শহরে কিছুটা হলেও সবুজায়ন ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এতে ঢাকায় বসবাসকারী মানুষের একটু ভালোভাবে নিঃশ্বাস নেওয়ার মতো পরিবেশ তৈরি করা যাবে।'

বৃক্ষমেলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে প্রধান বন সংরক্ষক বলেন, 'অন্য সময়ে একটি চারা কিনতে দিয়াবাড়ী যেতে হয়, একটি চারা কিনতে সাভারে যেতে হয়, আবার আরেকটি চারা কিনতে অন্য জায়গায় যেতে হয়। কিন্তু বৃক্ষমেলায় সব ধরনের চারা এক জায়গায় পাওয়া যায়। ফলে মানুষ দেখে-শুনে প্রয়োজন অনুযায়ী চারা কেনার সুযোগ পায়।'

বৃক্ষমেলার আলাদা বৈশিষ্ট্য রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'ঢাকা শহরে অনেক ধরনের মেলা হয়। সব মেলা প্রাণের মেলা নয়, সব মেলা স্নিগ্ধতার মেলা নয়, সব মেলা সবুজের মেলা নয়, আবার সব মেলা চোখ জুড়িয়ে যাওয়ার মেলাও নয়। ঢাকা শহরের বৃক্ষমেলাই একমাত্র মেলা, যেখানে মানুষ প্রশান্তি নিয়ে উপভোগ করতে পারে।'

অনুষ্ঠানে জাতীয় বৃক্ষরোপণ পুরস্কার-২০২৫ এর দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান, বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি, জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত রচনা, চিত্রাঙ্কন ও গাছ চেনা প্রতিযোগিতার বিজয়ী এবং জাতীয় বৃক্ষমেলা-২০২৬ এর নির্বাচিত স্টল মালিকদের মধ্যে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ করা হয়।

ইএইচটি/এমএমকে

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বরেন্দ্রে বছরে ০.৬ মিটার পর্যন্ত নামছে পানির স্তর, সমন্বিত পানিনীতির দাবি

রাজশাহীতে নীতি সংলাপে বিশেষজ্ঞ ও জনপ্রতিনিধিরা ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানি, খাল-বিল সংস্কার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও কম পানির ফসলের ওপর জোর দিয়েছেন।

বাসস১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

দুই উৎসের বর্জ্য ঠেকালে হালদার ৮০ শতাংশ দূষণ কমতে পারে, বলছেন গবেষকেরা

অনন্যা আবাসিক এলাকা হয়ে আসা সিটি করপোরেশনের বর্জ্য আর বাহির সিগন্যাল শিল্প এলাকার বর্জ্য সামলাতে পারলে হালদার দূষণ অনেকটাই কমবে; এ বছর মা-মাছের ডিম মিলেছে প্রায় ৬ হাজার কেজি।

দৈনিক বাংলা১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

গাপ্পির চেয়ে বেশি মশার লার্ভা খায় দেশি তিন মাছ, গবেষণাগারের পরীক্ষায় ফল

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের পরীক্ষায় নাপিত খয়রা, জেব্রাফিশ ও ব্লু পাঞ্চাক্স দূষিত পানিতেও বিদেশি গাপ্পির চেয়ে অনেক বেশি কিউলেক্স ও এডিস মশার লার্ভা খেয়েছে।

প্রথম আলো১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)