বাড়তে থাকা উপকরণ খরচ, দেশে বিপুল মজুত আর রপ্তানি বাজারের অনিশ্চয়তা নিয়ে বপন মৌসুমে ঢুকছেন দক্ষিণ আফ্রিকার শস্যচাষিরা। অনেকে ভুট্টা, সয়াবিন ও সূর্যমুখীর অনুপাত নতুন করে ভাবছেন। দেশটির জাতীয় কৃষি বিপণন কাউন্সিল (এনএএমসি) ও কৃষি বিভাগের এক ওয়েবিনারে এ চিত্র উঠে আসে।
কৃষক সংগঠন গ্রেইন এসএর অর্থনীতিবিদ হেলেন ভিলজোয়েন (Heleen Viljoen) জানান, ভালো মৌসুমে ১ কোটি ৭০ লাখ টনের বেশি উৎপাদন হওয়া ভুট্টা দেশের সবচেয়ে বড় ফসল, আর এখন তার উদ্বৃত্ত রয়েছে। এল নিনোতে সামনের ফলন কমলেও উদ্বৃত্ত দ্রুত রপ্তানি করা যাবে কি না, সে প্রশ্ন চাষিদের। তাঁর ভাষায়, দেশে বিশাল উদ্বৃত্ত থাকলে উৎপাদন কমলেও বাজারে যথেষ্ট মজুত থাকবে, ফলে ছোট ফসলে সাধারণত যে দাম বাড়ে, তা সীমিত থাকতে পারে।
অন্য দুশ্চিন্তা খরচ। ভিলজোয়েনের হিসাবে ২০১৯ সাল থেকে সারের দাম বেড়েছে প্রায় ১৪০ শতাংশ, আগাছানাশকের প্রায় ১৫ শতাংশ আর ডিজেলের ৮৩ শতাংশ, অথচ ফসলের দাম সে হারে বাড়েনি, তাই লাভের ব্যবধান কমছে। সাদা ও হলুদ দুই ধরনের ভুট্টাতেই কৃষকেরা কী বুনবেন, তাতে এর প্রভাব পড়ছে।
গত এক দশকে সয়াবিনের আবাদ অনেক বেড়েছে, আর গ্রীষ্মকালীন শস্য এলাকায় ভুট্টার প্রধান বিকল্প এখনো সূর্যমুখী। ফলে খরচ, মজুত ও আবহাওয়ার পূর্বাভাস মিলিয়ে চাষিরা আবাদ বদলানোর সুযোগ পাচ্ছেন। প্রতিবেদনটি করেছেন প্যাট্রিসিয়া টেম্বো।
ছবি: Ossewa / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: ফুড ফর মজানসি





মন্তব্য
(০)