বরিশালের গৌরনদী পৌরসভা দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পাশে ময়লা ফেলে একটি ভাগাড় তৈরি করেছে। পৌর শহরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার বর্জ্য প্রতিদিন এনে ফেলা হচ্ছে নীলখোলা ব্রিজের উত্তর পাশের ঢালে এবং কসবা এলাকায় হযরত মল্লিক দূত কুমার (র.)-এর মাজারের দক্ষিণে মহাসড়কের ধারে। বিশাল এলাকাজুড়ে জায়গাটি এখন কার্যত একটি অস্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন।
পচা আবর্জনার তীব্র দুর্গন্ধে ওই অংশ দিয়ে চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে; যানবাহনের যাত্রী ও পথচারীদের নাক চেপে পার হতে হয়। ভাগাড় থেকে মশা-মাছিও ছড়াচ্ছে। মহাসড়কের দুই পাশে অসংখ্য ঘরবাড়ি, আর ভাগাড়ের সামনেই দেওয়ান বাড়ি মসজিদ। দুর্গন্ধে মুসল্লিদের নামাজ পড়তে কষ্ট হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দা মিজান সরদার ও সুমন তালুকদার জানান, শুধু টরকী বন্দর এলাকার নয়, আশপাশের এলাকার ময়লাও এখানে আনা হয়; বাসাবাড়িতে কোনো প্রাণী মারা গেলে তা-ও এখানে ফেলা হচ্ছে। খোলা জায়গায় জমানো ময়লায় কিছুদিন পরপর আগুন দেওয়া হয়। সেই ধোঁয়ায় বায়ু দূষিত হচ্ছে, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন আশপাশের মানুষ ও পথচারীরা।
নীলখোলার আরেক বাসিন্দা রানা দেওয়ান বলেন, পলিথিনসহ পৌর এলাকার যত আবর্জনা তাঁদের বাড়ির পাশে মহাসড়কের ধারে স্তূপ করা হচ্ছে, দুর্গন্ধে ঘরে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে। 'আমরা এ থেকে পরিত্রাণ চাই,' বলেন তিনি।
গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার প্রশাসক মো. ইব্রাহীম জানিয়েছেন, ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের জন্য প্রাথমিকভাবে নলচিড়া ইউনিয়নের গরঙ্গল গ্রামে একটি জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, সেটি বাস্তবায়িত হলে মহাসড়কের পাশে ময়লা ফেলার সমস্যা মিটে যাবে।
প্রতিবেদন: কৃষি সময়ের বরিশাল সংবাদদাতা।
ছবি: ঢাকার রাস্তার পাশে জমে থাকা ময়লা (প্রতীকী), Aashaa / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: কৃষি সময়





মন্তব্য
(০)