যুক্তরাষ্ট্রে আবাদি জমির গড় দাম প্রথমবারের মতো একরপ্রতি ৬ হাজার ডলার ছাড়িয়েছে। ফসলের কম দাম, উপকরণের চড়া খরচ আর বাড়তি সুদের হারের মধ্যেও জমির দামের দীর্ঘ ঊর্ধ্বগতি থামেনি। ফ্লোরিডাভিত্তিক কৃষিঋণদাতা প্রতিষ্ঠান এগআমেরিকা লেন্ডিংয়ের (AgAmerica Lending) এক বিশ্লেষণ উদ্ধৃত করে এ খবর দিয়েছে অল এগ নিউজ।
প্রতিষ্ঠানটি বলছে, জমির দাম শক্ত থাকলে কৃষকের সম্পদমূল্য ও ঋণের জামানত মজবুত হয়, কিন্তু তাতে আপনা থেকে নগদ প্রবাহ, তারল্য বা ঋণ শোধের সামর্থ্য বাড়ে না। একটি খামারের সম্পদ অনেক থাকলেও স্বল্পমেয়াদে হাতে টাকার টান থাকতে পারে।
জমির বাড়তি দাম আর ঋণের খরচ খামার বড় করাও কঠিন করে তুলছে, বিশেষ করে তরুণ উৎপাদকদের জন্য। এগআমেরিকা মনে করিয়ে দিয়েছে, স্থানীয় পর্যায়ে জমির দাম এখনো নির্ভর করে মাটির উর্বরতা, পানির সুবিধা, আঞ্চলিক অর্থনীতি আর কৃষির বাইরের ক্রেতাদের প্রতিযোগিতার ওপর।
প্রতিষ্ঠানটির পরামর্শ, জমির সম্পদমূল্য ব্যবহার করে খামার বাড়ানো, ঋণ পুনর্গঠন বা নতুন বিনিয়োগের আগে চলতি মূলধন, ঋণের কিস্তি আর পরিচালন মুনাফা মিলিয়ে দেখা উচিত। জমির দাম ব্যালান্স শিট ভালো দেখালেও নগদের চাপ দূর করে না, বাড়তি ঋণ পাওয়ার নিশ্চয়তাও দেয় না।
ছবি: Father of JGKlein / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: All Ag News





মন্তব্য
(০)