চলতি বছরের প্রথমার্ধে কানাডার প্রদেশগুলোর মধ্যে শুধু ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় কৃষিজমির দাম কমেছে, ৭ অক্টোবর প্রকাশিত ফার্ম ক্রেডিট কানাডার (এফসিসি) প্রতিবেদন বলছে। প্রথম ছয় মাসে দাম কমেছে ১.৯ শতাংশ, ২০২৫ সালে কমেছিল ১.৭ শতাংশ; জুন পর্যন্ত ১২ মাসে পতন ৩.৯ শতাংশ, যা ১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝির পর অন্যতম তীব্র এবং ২০২৪ সালের ৩.১ শতাংশের চেয়েও বেশি।
এর আগে মহামারির সময় দাম লাফিয়ে বেড়েছিল। ২০১৯ থেকে ২০২৩ সালে প্রদেশটিতে কৃষিজমির দাম প্রায় ৪৯ শতাংশ বাড়ে, এখনো মহামারির আগের চেয়ে ৪৩ শতাংশ বেশি। এফসিসির মতে, দাম বাড়ার গতি এখন প্রেইরি অঞ্চলে, বিশেষ করে আলবার্টায় সরে গেছে, আর অন্টারিও ও ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় সবচেয়ে বেশি স্বাভাবিক হচ্ছে।
উৎপাদনশীল ও ভালো অবস্থানের জমির চাহিদা এখনো জোরালো, তবে উপকরণের বাড়তি খরচ, কম মুনাফা ও আঞ্চলিক সরবরাহ সীমাবদ্ধতায় ক্রেতারা বেছে কিনছেন। কারিবু-চিলকোটিনে চাহিদা স্থির কিন্তু বিক্রি কম; দক্ষিণ উপকূল ও ভ্যাঙ্কুভার দ্বীপে দাম স্থিতিশীল হচ্ছে, যদিও বেশি দিন বাজারে থাকা ও বাড়তি তালিকা চাপ রাখছে। এফসিসি বলছে, এটি বাজারে বড় মন্দার ইঙ্গিত নয়।
বিক্রিও কমেছে। প্রাদেশিক অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্যে প্রথমার্ধে খামারের সম্পত্তি বিক্রি আগের বছরের চেয়ে ২৫ শতাংশ কম। সবচেয়ে সক্রিয় পিস অঞ্চলে ১০৪টি সম্পত্তি হাতবদল হয়েছে (৩০ শতাংশ কম), ফ্রেজার ভ্যালিতে ৬৮টি (২৪ শতাংশ বেশি); প্রধান উৎপাদন অঞ্চলের মধ্যে সেন্ট্রাল ওকানাগানে বিক্রি বেড়েছে সবচেয়ে বেশি, ৮৭ শতাংশ।
খামার বড় করতে চাওয়া বা অবসরে যাওয়া কৃষকদের জন্য বার্তা হলো, বাজার এখন ধীর ও বাছাইপ্রবণ, যেখানে জমির অবস্থান ও উৎপাদনশীলতাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে কান্ট্রি লাইফ ইন বিসি।
ছবি: Adam Jones (কেলোনার ওকানাগান হ্রদতীরের খামার) / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: Country Life in BC





মন্তব্য
(০)