সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩০°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬৫%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশি বলে বিক্রি হচ্ছে ‘স্বাদ-গন্ধহীন’ নকল ইলিশ

পশ্চিমবঙ্গের বাজারগুলোতে প্রবেশ করেছে টনের পর টন গুজরাট, মুম্বাই ও মিয়ানমারের ইলিশ। কিন্তু 'স্বাদ ও গন্ধহীন' এসব মাছকে বাংলাদেশের সুস্বাদু ইলিশ পরিচয়ে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

পশ্চিমবঙ্গের বাজারগুলোতে প্রবেশ করেছে টনের পর টন গুজরাট, মুম্বাই ও মিয়ানমারের ইলিশ। কিন্তু 'স্বাদ ও গন্ধহীন' এসব মাছকে বাংলাদেশের সুস্বাদু ইলিশ পরিচয়ে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ, বাজারে গেলেই অসাধু ব্যবসায়ীরা ভারত-মিয়ানমারের ইলিশকে বাংলাদেশি বলে থলেতে ভরে দিচ্ছেন। বাড়িতে নিয়ে রান্নার পর দেখছেন, সেই সেই ইলিশে নেই কোনো স্বাদ, নেই সুস্বাদু গন্ধ।

অথচ এসব মাছের দাম মোটেও কম নয়। প্রতি কেজি ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ রুপি পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। তবে বাজার ও স্থানভেদে দামের পার্থক্য রয়েছে।

ভোজনরসিক বাঙালিদের কাছে বাংলাদেশি ইলিশের চাহিদা বরাবরই বেশি। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিরা বাংলাদেশের ইলিশের স্বাদের জন্য অপেক্ষা করেন। কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গের অনেক মানুষ দুর্গাপূজার সময় বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আসার অপেক্ষায় থাকেন।

এই চাহিদার সুযোগ নিয়ে একশ্রেণির অসাধু মাছ ব্যবসায়ী ক্রেতাদের ঠকাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, গুজরাট, মুম্বাই ও মিয়ানমারের ইলিশ বাংলাদেশি ইলিশের নামে বিক্রি করা হচ্ছে। এমনকি স্থানীয় ইলিশও প্লাস্টিকের প্যাকেটে মুড়িয়ে সেই প্যাকেটের গায়ে 'বাংলাদেশি ইলিশ' লিখে বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ছাড়া এসব প্যাকেটে মেয়াদ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্যও ঠিকভাবে উল্লেখ করা নেই বলে অভিযোগ রয়েছে।

তবে মাছ ব্যবসায়ীরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

অভিযোগ পাওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালিয়েছেন খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর ও স্থানীয় পৌরসভার কর্মকর্তারা। তারা বাজারে গিয়ে বিক্রি হওয়া ইলিশ মাছ পরীক্ষা করছেন।

মাছগুলো আদৌ ইলিশ কি না, কোথা থেকে আনা হয়েছে এবং সেগুলোর উৎসের প্রয়োজনীয় নথি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ নিউমার্কেটের 'মা মনসা ফিস সেন্টার'-এর কর্ণধার যাদব হালদার জাগোনিউজকে বলেন, খাদ্য দপ্তরের কর্মকর্তারা তাদের দোকানে এসে ইলিশ মাছ পরীক্ষা করেছেন। মাছগুলো কোথা থেকে কেনা হয়েছে, সে-সংক্রান্ত নথিও তারা দেখতে চেয়েছেন।

যাদব হালদারের দাবি, তারা উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাতের একটি মাছের দোকান থেকে ইলিশ কিনে আনেন। বাংলাদেশের মাছ আলাদা করে দেওয়া হচ্ছে এবং তারিখও উল্লেখ করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করে খাদ্য দপ্তরে জমা দেওয়ার কথাও বলেন তিনি।

এদিকে সাধারণ ক্রেতাদের প্রশ্ন, বাংলাদেশ থেকে এই মুহূর্তে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি না থাকলে পশ্চিমবঙ্গের বাজারে 'বাংলাদেশি ইলিশ' আসছে কীভাবে?

এই প্রশ্নের উত্তর নিয়েই এখন তৈরি হয়েছে নতুন করে বিতর্ক।

বাংলাদেশি ইলিশের চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে ভিন্ন উৎসের মাছ বাংলাদেশি ইলিশ হিসেবে বিক্রি করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন ক্রেতারা।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

নিষেধাজ্ঞার ২২ দিন সাগরে থেকে ইলিশ ধরার অভিযোগ, চরফ্যাশনের ঘাটে পচা মাছের দুর্গন্ধ

নিষেধাজ্ঞা শেষে চরফ্যাশনের সামরাজ মৎস্যঘাটে ফেরা কিছু ট্রলারের ইলিশের বড় অংশ পচা; এক জেলে বলেন, ৮ অক্টোবরের আগেই সাগরে গিয়ে ২২ দিন মাছ ধরেছেন তাঁরা।

আজকের পত্রিকা১ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

দুই উৎসের বর্জ্য ঠেকালে হালদার ৮০ শতাংশ দূষণ কমতে পারে, বলছেন গবেষকেরা

অনন্যা আবাসিক এলাকা হয়ে আসা সিটি করপোরেশনের বর্জ্য আর বাহির সিগন্যাল শিল্প এলাকার বর্জ্য সামলাতে পারলে হালদার দূষণ অনেকটাই কমবে; এ বছর মা-মাছের ডিম মিলেছে প্রায় ৬ হাজার কেজি।

দৈনিক বাংলা১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

গাপ্পির চেয়ে বেশি মশার লার্ভা খায় দেশি তিন মাছ, গবেষণাগারের পরীক্ষায় ফল

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের পরীক্ষায় নাপিত খয়রা, জেব্রাফিশ ও ব্লু পাঞ্চাক্স দূষিত পানিতেও বিদেশি গাপ্পির চেয়ে অনেক বেশি কিউলেক্স ও এডিস মশার লার্ভা খেয়েছে।

প্রথম আলো১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)