ইউরোপীয় ইউনিয়নে মুরগির মাংসের উৎপাদন ২০২৬ সালে ৩.৪ শতাংশ বাড়ার পর ২০২৭ সালে আরও ২ শতাংশ বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ইউএসডিএ-র বৈদেশিক কৃষি সেবা। প্রতিবেদনটির সারসংক্ষেপ প্রকাশ করেছে দ্য পোলট্রি সাইট।
প্রতিবেদনে কারণ হিসেবে বলা হয়েছে দেশীয় চাহিদা ধরে রাখা এবং ২০২৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ব্রাজিলের মুরগির মাংসে ইইউর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ায় প্রতিযোগিতা কমা। ইইউর মোট মুরগির মাংসের আনুমানিক ৯৮ শতাংশ ব্রয়লার, বাকিটা মূলত ডিমপাড়া মুরগি ও মোরগ থেকে আসে।
এ বছর বার্ড ফ্লুর চাপ কম ছিল: ইউরোপীয় খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের তথ্যে, ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ইউরোপে পোলট্রি ও বন্য পাখিতে উচ্চ সংক্রামক এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার সংখ্যা ২০১৯/২০২০ সালের পর সবচেয়ে কম।
তবে কয়েকটি সদস্যদেশে মুক্ত চারণ ও জৈব মুরগি পালন বাড়ায় উদ্বিগ্ন পশুচিকিৎসা কর্তৃপক্ষ, কারণ বাইরে চরে বেড়ানো পাখি ভাইরাসবাহী বন্য পাখির সংস্পর্শে বেশি আসে এবং ছোট, বিশেষায়িত খামার বেশি ঝুঁকিতে থাকে।
বসন্তের শেষ ও গ্রীষ্মে পশ্চিম ও মধ্য ইউরোপের তাপপ্রবাহ ও খরায় হাজার হাজার পাখি, বেশির ভাগ ডিমপাড়া মুরগি, মারা গেছে। মুরগির মাংস উৎপাদনে সরাসরি প্রভাব সীমিত মনে হলেও খাদ্যের সরবরাহ কমা ও দাম বাড়ায় উৎপাদন খরচ বেড়েছে, যা আগের মতোই খামারিরা খুচরা বিক্রেতাদের ওপর চাপাতে পারবেন বলে ধারণা। প্রতিবেদনটি লিখেছেন মেলানি এপ।
ছবি: USDAgov / উইকিমিডিয়া কমন্স (Public domain)
সূত্র: The Poultry Site




মন্তব্য
(০)