ইউরোপের হিমায়িত ফ্রেঞ্চ ফ্রাই শিল্পের মূল জোগানদার চার দেশ, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, ফ্রান্স ও জার্মানিতে (ইইউ-৪) এ মৌসুমে আলুর উৎপাদন প্রায় এক-চতুর্থাংশ কমে প্রায় ২ কোটি ৮ লাখ টনে নামছে, জানিয়েছে ডিসিএ মার্কেট ইন্টেলিজেন্স।
জমি ও ফলন দুটোই কমেছে। ২০২৫ সালের বড় ফলন এবং হিমায়িত ফ্রাই রপ্তানির কঠিন বাজারের পর চাষিরা প্রক্রিয়াজাত আলুর আবাদ নেদারল্যান্ডসে প্রায় ১৫ শতাংশ, বেলজিয়ামে ১৬.৬ শতাংশ, ফ্রান্সে ১০ শতাংশ ও জার্মানিতে ১১ শতাংশ কমান। এরপর গরম ও শুষ্ক আবহাওয়ায় ফলন কমে; নেদারল্যান্ডসে গড়ে প্রায় ১৪ শতাংশ।
২০২৬ সালের ফসলের বড় অংশ তোলার কয়েক মাস আগেই কম দামে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল। ডিসিএর আলুবাজার বিশ্লেষক জন রামাকার বলেন, "মৌসুমের শুরুর সরবরাহে চুক্তিমূল্য গত বছরের চেয়ে প্রায় ২৫ শতাংশ কম।" পরে গুদাম থেকে সরবরাহের দাম ধরা হয়েছে প্রায় ১৫ থেকে ১৭ শতাংশ কম।
ফলে চাপে আছেন চাষিরা। রামাকারের ভাষায়, "চাষিরা এবার হেক্টরপ্রতি অনেক কম আলু তুলছেন, অথচ উৎপাদনের বড় অংশ আগেই কম দামে চুক্তিবদ্ধ।" খোলাবাজারে অল্প যে আলু আছে, তার বাড়তি দাম ফলনের ক্ষতি পুষিয়ে দেয় না।
সরবরাহ শৃঙ্খলের পরের ধাপে প্রভাব কম: ফ্রাইয়ের খরচে আলু একটি অংশ মাত্র, সঙ্গে আছে প্রক্রিয়াকরণ, জ্বালানি, ভাজার তেল, শ্রম, মোড়ক, পরিবহন ও হিমাগার; তাই সস্তা চুক্তি বা দামি খোলাবাজারের আলু কোনোটিই সরাসরি খুচরা দামে পড়ে না।
ছবি: Silver Spoon / উইকিমিডিয়া কমন্স (Public domain)
সূত্র: AgroPages




মন্তব্য
(০)