সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২২ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৮ কিমি/ঘ

কাচালং ও ইনানীর বনে ক্যামেরায় মেঘলা চিতা, দেখা মিলল বিপন্ন বহু বন্যপ্রাণীর

রাঙ্গামাটির কাচালং সংরক্ষিত বনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের ক্যামেরায় অতি বিপন্ন মেঘলা চিতাসহ ১১টি বিপন্ন স্তন্যপায়ী এবং কক্সবাজারের ইনানী জাতীয় উদ্যানে মেঘলা চিতাসহ আরও ২১ প্রজাতি ধরা পড়ার তথ্য তুলে ধরেছেন লেখক ড. মো. ফোরকান আলী।

কাচালং ও ইনানীর বনে ক্যামেরায় মেঘলা চিতা, দেখা মিলল বিপন্ন বহু বন্যপ্রাণীর
পরিবেশ

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ির সাজেক ইউনিয়নের কাচালং সংরক্ষিত বনে গত জুলাই ও আগস্টে বিশেষ ক্যামেরা বসিয়ে দেশে অতি বিপন্ন মেঘলা চিতার (ক্লাউডেড লেপার্ড) টিকে থাকার প্রমাণ পেয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা। জাগো নিউজে প্রকাশিত এক নিবন্ধে ড. মো. ফোরকান আলী জানিয়েছেন, একটি-দুটি নয়, বেশ কয়েকটি মেঘলা চিতা আছে এ বনে, আর গবেষকদের মতে সুন্দরবনের পর কাচালংই দেশের বিপন্ন প্রাণীর বড় আবাস।

দলের নেতৃত্ব দেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক এম এ আজিজ। তিনি বলেন, বনের অল্প কিছু জায়গায় ১৭টি ক্যামেরা বসানো হয়েছিল, সচল ছিল ১৩টি; তাতে মেঘলা চিতাসহ ১১টি বিপন্ন ও অতি বিপন্ন স্তন্যপায়ী এবং অসংখ্য সাধারণ বন্যপ্রাণী ধরা পড়েছে। তালিকায় আছে মার্বেল চিতা, বন কুকুর, এশীয় কালো ভালুক, সাম্বার হরিণ ও এশীয় হাতি। স্থানীয়দের দাবি, বনে বাঘ ও বেশ কিছু গয়ালও আছে।

আইইউসিএন মেঘলা চিতাকে বাংলাদেশে অতি বিপন্ন ঘোষণা করেছে, বৈশ্বিকভাবেও এটি ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায়। গাছে চড়া এ প্রাণীর প্রধান খাবার বানর, কাঠবিড়ালি, ইঁদুর ও পাখি; মাঝে মাঝে বন্য শূকর, হরিণ ও বন ছাগলও শিকার করে।

নিবন্ধে এ মাসের শুরুতে আন্তর্জাতিক সাময়িকী গ্লোবাল ইকোলজি অ্যান্ড কনজারভেশনে প্রকাশিত আরেকটি গবেষণার কথাও এসেছে। ২০২২ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৩ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ১৩ মাস ধরে কক্সবাজারের ৭ হাজার ৮৫ হেক্টরের ইনানী জাতীয় উদ্যানে ১৫টি ক্যামেরায় ৩২টি স্থান পর্যবেক্ষণ করেন বন অধিদপ্তর, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং জার্মানির ইউনিভার্সিটি অব গেটিনজেনের গবেষকেরা। এর আগে পার্বত্য চট্টগ্রামের গভীর বন ছাড়া কক্সবাজারের কোনো সংরক্ষিত বনে মেঘলা চিতার ছবি ধরা পড়েনি; এবার উল্লুক, মুখপোড়া হনুমান, লজ্জাবতী বানর, উল্টোলেজি বানর ও চিতা বিড়ালসহ আরও ২১ প্রজাতির দেখা মিলেছে। উদ্যানের প্রায় ৩ হাজার হেক্টর, মোট আয়তনের প্রায় ৪৪ শতাংশ, মেঘলা চিতার বসবাসের উপযোগী।

বন্যপ্রাণী গবেষক রেজা খান বলেন, মেঘলা চিতা অত্যন্ত বিরল এবং ইনানীর বনে এটিই এখন শীর্ষ শিকারি; সরকারের উচিত এদের এলাকা চিহ্নিত করে বিশেষ সংরক্ষণ, কাঠ আহরণ বন্ধ এবং বসতি থাকলে তা সরানো। গবেষকেরা রোহিঙ্গা শিবিরের সম্প্রসারণ, মানুষের বসতি, জ্বালানির জন্য গাছ কাটা ও কৃষিজমির অবৈধ সম্প্রসারণকে উদ্যানের হুমকি বলেছেন।

সুপারিশের মধ্যে আছে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও বনভূমি দখল বন্ধ, পাহাড়ি ছড়া ও খাল সুরক্ষা এবং উদ্যানের চারপাশে বাফার জোন তৈরি করে স্থানীয় মানুষকে সংরক্ষণে যুক্ত করা। এখনই ব্যবস্থা না নিলে উপকূলীয় এ বনের বিরল স্তন্যপায়ী প্রাণী চিরতরে হারিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা লেখকের। লেখার মত লেখকের নিজের।

ছবি: frank wouters / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

ত্রিশালের মাছ চাষের পুকুরের পলি ও মাছে মাইক্রোপ্লাস্টিক, সরপুঁটিতে সবচেয়ে বেশি

বাকৃবির অধ্যাপক বদিউজ্জামান খানের নেতৃত্বে ময়মনসিংহের ত্রিশালের ২৫টি পুকুরের সব কটির পলিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক মিলেছে, কেজিতে গড়ে ১১ দশমিক ০৪টি কণা; ছয় প্রজাতির ১৫০টি মাছে পাওয়া গেছে ৯০টি কণা।

দৈনিক বাংলা২৩ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

বৃষ্টি নেই, পীরগঞ্জে আমনখেতের মাটি ফেটে চৌচির, সেচে বাড়ছে খরচ

রংপুরের পীরগঞ্জের ১৫টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় প্রচণ্ড গরম ও বৃষ্টির অভাবে আমনখেতে সেচসংকট, কোথাও মাটি ফেটে গেছে; শীষ বের হওয়ার এই সময়ে বাড়তি সেচে খরচ বাড়ছে কৃষকের।

বাসস২৩ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাটে ২০ দিনে রেলওয়ের বনের শতাধিক গাছ কাটা, টিলাও সমতল

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাটে রেলওয়ে ও সরকারি খাসজমির বনায়নের ৪০-৫০ বছরের পুরোনো গাছসহ শতাধিক গাছ কাটা হয়েছে; স্থানীয়দের অভিযোগ, কনটেইনার ডিপো করতে একটি চক্র টিলা কাটছে, আর রেলওয়ে বলছে তারা কিছু জানে না।

আজকের পত্রিকা২৩ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)