দীর্ঘদিন পাউন্ডপ্রতি ৬৫ থেকে ৬৮ সেন্টে আটকে থাকার পর সেপ্টেম্বরে তুলার দাম ৯০ সেন্টের কাছাকাছি উঠেছে। দ্য কটন বোর্ডের 'কটন অ্যান্ড কফি' আলোচনায় কটন ইনকর্পোরেটেডের প্রধান অর্থনীতিবিদ জন ডিভাইন (Jon Devine) বলেন, বৈশ্বিক সরবরাহ কমে যাওয়া, ভূরাজনীতি ও রপ্তানি চাহিদাই এর কারণ।
উৎপাদন ঘাটতির কারণে এ বছর বৈশ্বিক সমাপনী মজুত আগের বছরের চেয়ে ৫০ লাখ বেল কমবে বলে ধারণা — ২০১১-১২ মৌসুমের পর সর্বনিম্ন। চীনের উৎপাদন কমেছে ২৩ লাখ বেল, অস্ট্রেলিয়ার ১৫ লাখ, যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের ৭ লাখ করে; ব্রাজিলে কমতি ৩ লাখ বেল। প্রায় পুরোপুরি সেচনির্ভর অস্ট্রেলিয়ায় পানির অভাবে আবাদ কমেছে, আর জুনে শুরু হওয়া এল নিনো সেখানকার ফসলে আরও চাপ ফেলতে পারে।
অন্যদিকে সুতাকলের ব্যবহার ২০২৬-২৭ মৌসুমে ১২ কোটি ৩০ লাখ বেলে পৌঁছাবে বলে আশা, যা ২০২৫-২৬-এর ১২ কোটি ১০ লাখ বেলের বেশি। ডিভাইনের মতে, ২০ বছরে এই প্রথম টানা দুই মৌসুমে বৈশ্বিক ব্যবহার ১২ কোটি বেল ছাড়াচ্ছে; ফলে ফাটকাবাজেরাও দাম পড়ার বাজি থেকে সরে আসছেন।
চীন গত ডিসেম্বরে জিনজিয়াংয়ে তুলার সহায়তা নীতি বদলেছে; দেশটির ৯৫ শতাংশ তুলা সেখানেই হয়। ইউএসডিএর বৈদেশিক কৃষি সার্ভিসের হিসাবে ২০২৬-২৭ মৌসুমে চীনের উৎপাদন ৫.৬ শতাংশ কমে ৩ কোটি ২৭ লাখ বেলে নামবে; গরম ও শুষ্ক আবহাওয়ায় গুটিও ঝরে পড়ছে। চীন মজুত থেকে তুলা বিক্রি করছে, আর বিশ্ববাজার থেকে সে মজুত আবার ভরবে কি না, সেটাই বড় প্রশ্ন — ২০১৮, ২০২০ ও ২০২৩ সালে চীন ১ কোটি, ১ কোটি ৩০ লাখ ও ১ কোটি ৫০ লাখ বেল কেনার পর দাম বেড়েছিল।
প্রতিবেদনটি লিখেছেন হুইটনি শ্যানন।
ছবি: Kimberly Vardeman / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: Farm Progress





মন্তব্য
(০)