আগামী ২৭ অক্টোবর একদিনে এক লাখ গাছ রোপণের উদ্যোগ নিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। জেলার ১৬টি উপজেলায় একযোগে কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন হবে। রোপণের পাশাপাশি চারা বাঁচিয়ে রাখতে নিয়মিত পরিচর্যায় জোর দেওয়া হচ্ছে, আর দুর্বল বা নষ্ট চারা বদলাতে অতিরিক্ত ১০ থেকে ২০ হাজার চারা প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক বলেন, 'আমরা এই গাছগুলো শুধু লাগাব না, সঠিকভাবে পরিচর্যাও করব।' চারার বেঁচে থাকার হার বাড়াতে তুলনামূলক বড় ও মানসম্মত চারা সংগ্রহ করা হয়েছে; রোপণের পর কোনো চারা দুর্বল হলে তা বদলে দেওয়া হবে। লক্ষ্য এক লাখ চারাই বাঁচিয়ে রাখা।
কর্মসূচিতে উপকূলীয় এলাকায় নারকেলগাছ লাগানোয় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জেলা প্রশাসকের ভাষ্য, উপকূল ও সাগরপাড়ে নারকেলগাছের বৃদ্ধি ও ফলনের উপযোগী পরিবেশ আছে, তাই সন্দ্বীপের একটি বড় অংশ নারকেলগাছে আচ্ছাদিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রস্তুতি অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে ২ হাজার ২৭৫টি নারকেল চারা তুলে দেওয়া হয়।
উপজেলাগুলোর চাহিদা অনুযায়ী ফলজ, বনজ, ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধক গাছের চারা বণ্টন করা হবে, এর মধ্যে আছে আম, কাঁঠাল, পেয়ারা, আমড়া, মেহগনি, গর্জন, আমলকী, হরীতকী, জারুল ও বকুল। সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশন থেকে ৩০ হাজার, বিভিন্ন এনজিও থেকে ১৭ হাজার এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগ থেকে ১০ হাজার চারা সংগ্রহ করা হয়েছে; বাকিটা দেবে জেলা প্রশাসন।
জেলা প্রশাসক জানান, পাঁচ বছরে দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর সরকারি অগ্রাধিকার কর্মসূচির আওতায় চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি গাছ রোপণের লক্ষ্য ধরা হয়েছে, এই কর্মসূচি তারই অংশ। ২৭ অক্টোবর জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রথম চারা রোপণ করে কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। পুলিশ, বন্দর, বিমানবন্দর, চিড়িয়াখানা ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন দপ্তরকে কর্মসূচিতে যুক্ত করা হয়েছে।
প্রতিবেদন: বাংলা নিউজ ২৪-এর স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চট্টগ্রাম।
ছবি: চারা রোপণ (প্রতীকী), Robbieross123 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: বাংলা নিউজ ২৪





মন্তব্য
(০)