গ্রেইন ফার্মার্স অব অন্টারিওসহ কানাডাজুড়ে কৃষক ও শিল্প সংগঠনগুলো এমন একটি জাতীয় উদ্ভিদ প্রজনন কৌশলের দাবি তুলেছে, যা প্রতিটি ফসল, অঞ্চল ও কৃষকের বাস্তবতা মাথায় রাখবে। এ নিয়ে তারা একটি যৌথ রূপরেখা প্রকাশ করেছে।
আটলান্টিক গ্রেইনস কাউন্সিল, কুইবেকের শস্য উৎপাদক সংগঠন, অন্টারিও বিন গ্রোয়ার্স, অন্টারিও ক্যানোলা গ্রোয়ার্স, ম্যানিটোবা পালস অ্যান্ড সয়াবিন গ্রোয়ার্স ও প্রেইরি ওট গ্রোয়ার্সসহ বিভিন্ন সংগঠন এতে সমর্থন দিয়েছে।
তাদের যুক্তি, যেসব ফসলের বাজার ছোট ও রয়্যালটি কম বলে বেসরকারি বিনিয়োগ আসে না, সেখানে সরকারি প্রজনন কর্মসূচিই ভরসা। এর মধ্যে আছে ওট, খাদ্যমানের সয়াবিন, পূর্ব কানাডার গম ও যব, অন্টারিওর ক্যানোলা এবং শুকনা শিমসহ কিছু ডালজাতীয় ফসল। একটি নতুন জাত মাঠে পৌঁছাতে প্রায়ই এক দশকের বেশি লাগে।
গ্রেইন ফার্মার্স অব অন্টারিওর চেয়ার জেফ হ্যারিসন বলেন, ‘উদ্ভিদ প্রজনন কানাডার কৃষির ভবিষ্যতে বিনিয়োগ।’
সংগঠনগুলো ২০২৮ সালের অর্থায়ন কাঠামোর আগেই বহু বছরের নতুন কেন্দ্রীয় বিনিয়োগ চায়, কারণ কৃষি ও কৃষিখাদ্য কানাডার সহায়তায় চলা প্রজনন কর্মসূচির অর্থায়ন ২০২৮ সালে শেষ হচ্ছে, অথচ এখন তৈরি হতে থাকা জাতগুলোর আরও কয়েক বছর পরীক্ষা লাগবে।
প্রতিবেদনটি এগ্রোপেজেসে প্রকাশিত সংগঠনগুলোর বিবৃতির ভিত্তিতে লেখা।
ছবি: Paul Harrison / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: AgroPages





মন্তব্য
(০)