২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। আগামী বছর সাপ্তাহিক ছুটির বাইরে সরকারি ছুটি থাকবে ২২ দিন। সোমবার (২ নভেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার ২৬তম বৈঠকে তালিকাটি অনুমোদন পায় বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
সন্ধ্যায় সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানান, জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে ১৫ দিন সাধারণ ছুটির প্রস্তাব করা হয়েছে, যার চার দিন (দুটি শুক্রবার ও দুটি শনিবার) পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটিতে। বাংলা নববর্ষ ও বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে ১৪ দিন, যার তিন দিন (একটি শুক্রবার ও দুটি শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটিতে পড়েছে।
সব মিলিয়ে ২৯ দিনের প্রস্তাবিত ছুটির সাত দিন সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পড়ায় কার্যকর ছুটি থাকবে ২২ দিন। সরকারি কর্মচারীরা নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী বছরে সর্বোচ্চ তিন দিন ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারবেন। পার্বত্য চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় কর্মরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সরকারি কর্মচারীরা বৈসাবি বা অনুরূপ প্রধান সামাজিক উৎসবের জন্য দুই দিন ঐচ্ছিক ছুটি পাবেন।
একই বৈঠকে ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে। বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন দ্রুত বাড়াতে আগেই ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি হয়েছিল; সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অধ্যাদেশটিকে সংসদে আইনে রূপ দিতে এই খসড়া করা হয়েছে।
সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়াও অনুমোদিত হয়েছে। এতে দেশীয় শিল্পের স্বার্থ রক্ষা এবং নতুন, অতি ক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, নারী ও সুযোগবঞ্চিত দরপত্রদাতাদের জন্য বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব রয়েছে। ২০০৬ সালের মূল আইনটি এ পর্যন্ত ছয় দফা সংশোধিত হয়েছে।
ছুটির তালিকা আগেভাগে জানা থাকলে চাকরিজীবী পরিবারগুলো গ্রামে যাওয়া, উৎসব ও কেনাকাটার পরিকল্পনা আগে থেকে করতে পারে। খবরটি সমকালের প্রতিবেদন থেকে।
ছবি: Wasiul Bahar / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: সমকাল





মন্তব্য
(০)