বার্লি ইয়েলো ডোয়ার্ফ ভাইরাস (বিওয়াইডিভি) সহনশীল শীতকালীন যবের জাতকে কেবল ঝুঁকি কমানোর উপায় হিসেবে দেখা উচিত, কারণ এগুলো রোগের হুমকি পুরোপুরি দূর করে না। আয়ারল্যান্ডের সাম্প্রতিক ক্রপস ফোরামে এ কথা বলেছেন টিগাস্কের কীটতত্ত্ববিদ ড. লুইস ম্যাকনামারা (Louise McNamara)।
তিনি বলেন, ‘বিওয়াইডিভি দমনে সহনশীল ও প্রতিরোধী জাত নিয়ে আগ্রহ অনেক। কিন্তু এটি একটিমাত্র হাতিয়ার।’ একটির ওপর নির্ভর করলে রোগ দমনের পরিকল্পনা দুর্বল হতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি। বিক্রির হিসাবে, ২০২৬ সালে আয়ারল্যান্ডে প্রত্যয়িত শীতকালীন যবের বীজ এলাকার ৮৩ শতাংশই ছিল বিওয়াইডিভি সহনশীল বা প্রতিরোধী।
এসব জাতের অনেকগুলো প্রথমে এমন অঞ্চলে পরীক্ষা হয়েছিল, যেখানে ভাইরাসের অন্য প্রজাতি প্রধান। তাই কারলো কাউন্টির ওক পার্কে টিগাস্কের ফসল গবেষণা কেন্দ্রে যাচাই পরীক্ষা চালানো হয়। তাতে আয়ারল্যান্ডে তিনটি প্রজাতি পাওয়া যায়, সবচেয়ে বেশি বিওয়াইডিভি-এমএভি, বাকিগুলো পিএএস বা পিএভির সঙ্গে মিশ্রভাবে।
চার বছরে ছয়টি পরীক্ষায় সংবেদনশীল ও সহনশীল জাত, কীটনাশক দেওয়া ও না দেওয়া প্লট তুলনা করা হয়। কীটনাশক না দেওয়া প্লটে সংবেদনশীল জাতে উপসর্গ স্পষ্টভাবে বেশি ছিল। সহনশীল জাতেও কিছু উপসর্গ ছিল, তবে অনেক কম। কীটনাশকে দুই ধরনের জাতেই উপসর্গ কমেছে।
ফলনের হিসাবে, মাঝারি ভাইরাস চাপে ক্ষতি দেখা দেয়, তখন প্রতিটি সংবেদনশীল জাত কীটনাশকে উল্লেখযোগ্য সুফল পেয়েছে। সহনশীল জাতের ফলন সামগ্রিকভাবে বেশি, কীটনাশকে বাড়তি সুফল কম। বেশি চাপের বছরে সংবেদনশীল জাত আবারও কীটনাশকে জোরালো সাড়া দিয়েছে, অথচ সহনশীল জাতে কীটনাশক দেওয়া ও না দেওয়া প্লটের ফলনে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য দেখা যায়নি।
প্রতিবেদনটি এগ্রিল্যান্ডের জন্য লিখেছেন রিচার্ড হ্যালেরন।
ছবি: উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: Agriland





মন্তব্য
(০)