২০২৫/২৬ মৌসুমে ব্রাজিলের তুলাচাষিরা বালাইনাশকে রেকর্ড ৮২১ কোটি ৭০ লাখ রিয়াল (১৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার) খরচ করেছেন, স্থানীয় মুদ্রায় আগের মৌসুমের চেয়ে ১৪ শতাংশ বেশি। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাইনেটেকের ফার্মট্র্যাক আলগোদাও জরিপের বরাতে এ খবর দিয়েছে গ্লোবাল এগ্রিকালচার। ডলারে বৃদ্ধি ১০ শতাংশ, আগের মৌসুমে ছিল ১৩৪ কোটি ১০ লাখ ডলার।
চাষিরা মৌসুমে গড়ে ১০৭ বার বালাইনাশক প্রয়োগ করেছেন, আগের ৯৫ বারের চেয়ে ১৩ শতাংশ বেশি; প্রতিবার প্রয়োগের গড় খরচ ২১ শতাংশ বেড়ে ৩,৪৭২ থেকে ৪,২০৯ রিয়াল। একই জমিতে প্রতিবার প্রয়োগকে আলাদা ধরে মোট প্রয়োগ-এলাকা ৬ শতাংশ বেড়ে ১৯ কোটি ৬৩ লাখ থেকে ২০ কোটি ৯০ লাখ হেক্টর হয়েছে। জরিপে প্রায় ২৭০টি তুলা খামারের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়, যা দেশের ১৯ লাখ ৫২ হাজার হেক্টর তুলা জমির ৯৭ শতাংশ।
সবচেয়ে বড় খরচ কীটনাশকে। এককভাবে সবচেয়ে ব্যয়বহুল বোল উইভিল (তুলার গুটি ছিদ্রকারী পোকা) দমন, খামারপ্রতি গড়ে ১৮ বার প্রয়োগ, মোট প্রায় ২০০ কোটি রিয়াল। এরপর শুঁয়োপোকা দমন, ৯২ কোটি ৮০ লাখ রিয়াল, আগের ৭৯ কোটি ৫০ লাখের চেয়ে ১৫ শতাংশ বেশি। শতাংশে সবচেয়ে দ্রুত বেড়েছে ছত্রাকনাশকের খরচ, যার একটি কারণ চাষিদের দামি ছত্রাকনাশকে ঝোঁকা, বলেন কাইনেটেকের বিশ্লেষক ফেলিপে লোপেস আবেলহা।
রেকর্ড খরচ এমন সময়ে, যখন প্রধান তুলা উৎপাদক রাজ্য মাতো গ্রোসোতে আবাদ ৮ শতাংশ কমে ১৫ লাখ ২ হাজার থেকে ১৩ লাখ ৭৬ হাজার হেক্টরে নেমেছে। প্রধান রাজ্যে জমি কমা অথচ দেশজুড়ে রেকর্ড খরচ ইঙ্গিত দেয়, হেক্টরপ্রতি পোকা, রোগ ও আগাছার চাপ বাড়ছে, আর তা সামলাতে বেশি প্রয়োগ ও দামি পণ্য লাগছে।
ছবি: José Reynaldo da Fonseca / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.5)
সূত্র: গ্লোবাল এগ্রিকালচার





মন্তব্য
(০)