ব্রাজিলের গরুর মাংস অন্তত দুই বছর ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) ঢুকতে পারবে না, আর আবার কবে ঢুকবে তার কোনো তারিখ ঠিক হয়নি। ২৮ সেপ্টেম্বর ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্যদের এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক এক কর্মকর্তা। আয়ারল্যান্ডের Agriland এ খবর দিয়েছে।
পশুর পুরো জীবনজুড়ে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ব্যবহারের ইইউ শর্ত ব্রাজিল মানছে কি না, সে উদ্বেগে ৩ সেপ্টেম্বর থেকে দেশটির গরুর মাংস, মুরগি ও অন্যান্য প্রাণিজ পণ্য আমদানি স্থগিত করে ইইউ। কমিশন এখন নিশ্চিত করেছে, জন্ম থেকেই যথাযথ উৎস শনাক্তকরণ ব্যবস্থা থাকতে হবে; ফলে ব্রাজিল এখনই সব সমস্যা মেটালেও কেবল এরপর জন্মানো পশুর মাংসই রপ্তানি করা যাবে।
কমিশনের স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরীক্ষা পরিচালক এরিক থেভেনার ইউরোপীয় পার্লামেন্টের কৃষি কমিটিতে জানান, ব্রাজিল কবে আবার ইইউতে গরুর মাংস রপ্তানি করতে পারবে তা তিনি জানেন না। "সংক্ষেপে, জন্ম থেকে জবাই পর্যন্ত সময় ধরুন দুই বছরের মতো। তাহলে নিজেই হিসাব করুন; তত্ত্বগতভাবে দুই বছরের আগে কিছুই নয়," বলেন তিনি। তাঁকে প্রশ্ন করেছিলেন আয়ারল্যান্ডের ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য কিয়ারান মুলুলি।
বৈঠকের পর মুলুলি জানান, কমিশন নিশ্চিত করেছে ব্রাজিলে ইস্ট্রাডিওল হরমোন নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তাদের উদ্বেগ এখনো মেটেনি, আর কর্মকর্তারা বলেছেন বাণিজ্য আবার শুরুর বাস্তব সম্ভাবনা দেখা দিলে তবেই ব্রাজিলের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল নিয়ন্ত্রণের নিরীক্ষা হবে। "সব ইইউ শর্ত মানার প্রমাণ দেখানো ও স্বাধীনভাবে যাচাই না হওয়া পর্যন্ত ব্রাজিলের গরুর মাংস ইইউ বাজারে ফেরা উচিত নয়," বলেন তিনি।
দুই বছরের হিসাবটি এসেছে ব্রাজিলে একটি গরুকে জবাইয়ের উপযোগী করে তুলতে যত সময় লাগে তা থেকে; দেশটি বিশ্বের অন্যতম বড় গরুর মাংস রপ্তানিকারক।
ছবি: Eduardo Ferraz Pacheco de Castro e Sebastião de Oliveira / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC0)
সূত্র: Agriland





মন্তব্য
(০)