ব্রাজিলে দুই প্রধান সারের দাম চলছে উল্টো পথে। টানা নয় সপ্তাহ কমে দেশটির বন্দরে পটাশিয়াম ক্লোরাইড বা পটাশের দাম ১০ শতাংশ কমেছে, অথচ গত পাঁচ সপ্তাহে ইউরিয়ার দাম বেড়েছে ২০ শতাংশ।
পার্থক্যের মূল কারণ সরবরাহকারী দেশ। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার ধাক্কা ইউরিয়ায় বেশি লেগেছে। পটাশ আসে মূলত রাশিয়া, বেলারুশ ও কানাডা থেকে, যারা মিলে বিশ্বের পটাশিয়াম ক্লোরাইড রপ্তানির প্রায় ৭৫ শতাংশ করে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্টে ব্রাজিলের পটাশ আমদানির ৩৯ শতাংশ এসেছে কানাডা থেকে, ৩১ শতাংশ রাশিয়া থেকে।
সয়াবিন বোনা চলছে, তাই গ্রীষ্মকালীন ফসলের জন্য পটাশ কেনার মূল মৌসুম প্রায় শেষ। কম দাম সবচেয়ে কাজে আসবে তাঁদের, যাঁদের এখনো সাফরিনিয়া বা দ্বিতীয় মৌসুমের ভুট্টার সার কেনা বাকি। নোতিসিয়াস আগ্রিকোলাস (Notícias Agrícolas) প্রকাশিত এক জরিপে দেখা গেছে, সাফরিনিয়া ভুট্টার সারের প্রায় ৪৬ শতাংশ চুক্তি হয়ে গেছে, গত বছর এ সময় যা ছিল ৪৪ শতাংশ।
মাতো গ্রোসোর কিছু কৃষক কম দামের সুযোগে এক বছর পরে বোনা হবে এমন ২০২৭/২৮ মৌসুমের সয়াবিনের জন্য এখনই পটাশ কিনে রাখছেন।
ছবি: James Martins / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)
সূত্র: Global Agriculture





মন্তব্য
(০)