সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৩°হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৫১%বাতাস ৪ কিমি/ঘবৃষ্টি ০.১ মিমি

সবুজের ঢেউ তোলা বরইচাড়া গ্রাম

শীতল হাওয়ার দোলায় গমগম করছে বরইচাড়া গ্রামের গম ক্ষেত। যেন এক অনন্ত সবুজের সমুদ্র, ঢেউয়ের বদলে বাতাসে দোল খাচ্ছে গমের শীষ। আকাশের নীল রঙে মিশে থাকা এই মাঠ যেন প্রকৃতির আঁকা এক নিখুঁত চিত্রকর্ম। দূরে কোথাও একটা বক উড়ছে, কোথাও আবার চড়ুইদের কলরব। এই গ্রামের গম ক্ষেত শুধু ফসলের ক্ষেত নয় বরং প্রকৃতির এক অ

শীতল হাওয়ার দোলায় গমগম করছে বরইচাড়া গ্রামের গম ক্ষেত। যেন এক অনন্ত সবুজের সমুদ্র, ঢেউয়ের বদলে বাতাসে দোল খাচ্ছে গমের শীষ। আকাশের নীল রঙে মিশে থাকা এই মাঠ যেন প্রকৃতির আঁকা এক নিখুঁত চিত্রকর্ম। দূরে কোথাও একটা বক উড়ছে, কোথাও আবার চড়ুইদের কলরব। এই গ্রামের গম ক্ষেত শুধু ফসলের ক্ষেত নয় বরং প্রকৃতির এক অনন্য আশ্রয়। যেখানে প্রশান্তি মেলে প্রতিটি নিঃশ্বাসে।

বরইচাড়ার গম ক্ষেত মানেই মুক্ত বাতাস। দিগন্তজোড়া সবুজ আর নিস্তব্ধ প্রকৃতির মাঝে অদ্ভুত মায়াবী সৌন্দর্য। সকালে সূর্যের প্রথম আলো যখন নরম সোনালি ছাপ ফেলে; তখন এই মাঠের সৌন্দর্য দ্বিগুণ হয়ে যায়। শিশির ভেজা গমের পাতায় রোদ পড়ে ঝলমল করে ওঠে আর বাতাসে মৃদু দুলতে থাকে ফসলের শরীর। মনে হয়, প্রকৃতি নিজ হাতে সাজিয়ে রেখেছে এই শস্যভূমি। যেন এক স্বর্গীয় অনুভূতি ছড়িয়ে দেয় চারদিকে।

এখানে পরিবেশ সব সময়ই মায়াবী। দিনের বেলায় রোদের তেজও যেন নরম হয়ে আসে গম ক্ষেতের সবুজ আচ্ছাদনে। বিকেল নামলে হালকা ঠান্ডা হাওয়া বয়ে যায় মাঠজুড়ে। বাতাসে গমের গন্ধ মিশে থাকে, যেন প্রকৃতির এক অনন্য সুগন্ধি। গাঁয়ের মানুষেরা গম ক্ষেতে কাজের ফাঁকে কিছু সময় জিরিয়ে নেয়, বাতাসে চোখ বুজে প্রশান্তি খোঁজে। কেউ কেউ ক্ষেতের পাশে বসে গল্পে মেতে ওঠেন। কেউবা পথ ধরে ধীরে ধীরে হেঁটে যান দূর গ্রামের দিকে।

এমন আবহাওয়ায় বরইচাড়ার গম ক্ষেত যেন প্রকৃতির কোলে এক নিখুঁত অবসরস্থল। সন্ধ্যার পর যখন মাঠের ওপরে নক্ষত্রেরা ভিড় জমায়; তখন মনে হয় পুরো আকাশটাই যেন এই গম ক্ষেতের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে। নীরবতা ভেঙে মাঝেমধ্যে শুনতে পাওয়া যায় ঝিঁঝি পোকার ডাক। যা এই নিস্তব্ধতার মাঝে এক মধুর সুর তোলে।

গম ক্ষেতের সৌন্দর্য শুধু প্রকৃতির শোভায় নয় বরং এখানকার মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। বরইচাড়ার কৃষকেরা দিনের পর দিন পরিশ্রম করে এই ফসল ফলান। এই মাঠই তাদের জীবনের মূল অবলম্বন। গম পাকার সময় এলে পুরো গ্রাম যেন উৎসবে মেতে ওঠে। কৃষকের ঘামে ভেজা এই মাটি শুধু শস্যই জন্ম দেয় না বরং জীবনযাত্রার এক চিরন্তন গল্পও বলে।

নগরজীবনের কোলাহল থেকে দূরে কুষ্টিয়ার খোকসা থানার বরইচাড়া গ্রামের এই গম ক্ষেত যেন প্রকৃতির এক নিঃশব্দ আহ্বান। এখানে এলে সময় ধীর হয়ে যায়, মন প্রশান্ত হয় আর জীবনের সত্যিকারের সৌন্দর্য উপলব্ধি করা যায়।

তাই যারা প্রকৃতির মাঝে কিছুটা সময় উপভোগ করতে চান, তারা একবার বরইচাড়ার গম ক্ষেতের সবুজের রাজ্যে এসে দাঁড়ান। বাতাসের মৃদু শীতল স্পর্শ আর ধানের গন্ধ আপনাকে নতুন এক প্রশান্তির জগতে নিয়ে যাবে। যেখানে শুধুই রয়েছে সবুজ, মুক্তি আর নীরবতার এক মধুর সুর। শুধু বরইচাড়া নয়, বাংলাদেশের বিভিন্ন গ্রামেই ছড়িয়ে আছে এমন মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য। যে কেউ চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে এমন সবুজের রাজ্যে হারিয়ে গিয়ে প্রকৃতির অকৃত্রিম শোভা উপভোগ করতে পারেন।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

বাংলাদেশ

AEZ-০৭: সক্রিয় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা প্লাবনভূমি, যেখানে নদী জমি গড়ে আবার কেড়েও নেয়

নদীভাঙন, নতুন চর, বালু-পলির মাটি আর অনিশ্চিত বন্যার মৌসুম। কুড়িগ্রাম থেকে মানিকগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার হেক্টরের এই অঞ্চলে কৃষিকে টেকসই করতে দরকার জমিভিত্তিক তথ্য, উপগ্রহচিত্রের পর্যবেক্ষণ আর সময়মতো পরিকল্পনা।

তানিয়া চৌধুরী১ নভেম্বর ২০২৬১৩ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বরেন্দ্রে বছরে ০.৬ মিটার পর্যন্ত নামছে পানির স্তর, সমন্বিত পানিনীতির দাবি

রাজশাহীতে নীতি সংলাপে বিশেষজ্ঞ ও জনপ্রতিনিধিরা ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানি, খাল-বিল সংস্কার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও কম পানির ফসলের ওপর জোর দিয়েছেন।

বাসস১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

দুই উৎসের বর্জ্য ঠেকালে হালদার ৮০ শতাংশ দূষণ কমতে পারে, বলছেন গবেষকেরা

অনন্যা আবাসিক এলাকা হয়ে আসা সিটি করপোরেশনের বর্জ্য আর বাহির সিগন্যাল শিল্প এলাকার বর্জ্য সামলাতে পারলে হালদার দূষণ অনেকটাই কমবে; এ বছর মা-মাছের ডিম মিলেছে প্রায় ৬ হাজার কেজি।

দৈনিক বাংলা১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)