শনিবার ৩ অক্টোবর থেকে পুরো স্কটল্যান্ডকে ব্লুটাং রোগের নিয়ন্ত্রিত এলাকা ঘোষণা করা হচ্ছে, ফলে শরতের ব্যস্ত বেচাকেনার মৌসুমের আগে গরু, ভেড়া ও অন্য সংবেদনশীল পশু চলাচলে আর লাইসেন্স লাগবে না, জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের ফার্মার্স উইকলি। এনএফইউ স্কটল্যান্ডসহ কৃষক সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে স্কটিশ সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
দক্ষিণ-পশ্চিম স্কটল্যান্ডের আগের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় এখন লাইসেন্স ছাড়াই পশু ঢোকানো, ভেতরে সরানো ও বের করা যাবে। সরকার বলছে, এতে খামারি, পশু পরিবহনকারী ও নিলাম বাজারের জন্য বেচাকেনা অনেক সহজ হবে। তবে কিছু নিয়ন্ত্রণ থাকছে: রোগের লক্ষণ থাকা পশু সরানো যাবে না, আক্রান্ত পশু ৬০ দিন নিজ খামারে আটকে থাকবে, আর নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডে পশু পাঠানোর বিধিনিষেধও বহাল।
১০ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ-পশ্চিমের নিয়ন্ত্রিত এলাকা ঘোষণার পর ৪০টি খামারে ব্লুটাং শনাক্ত হয়েছে, যার চারটি আক্রান্ত খামার থেকে পশু চলাচলের সূত্র ধরে এলাকার বাইরে পাওয়া গেছে।
ন্যাশনাল শিপ অ্যাসোসিয়েশনের নীতি ব্যবস্থাপক মাইকেল প্রিস্টলি বলেন, শরতে তাপমাত্রা কমায় রোগ ছড়ানো কিউলিকয়েডিস মাছির সক্রিয়তা কমে, তাই এ সময়ে নিয়ম সহজ করা যুক্তিসংগত; তবে কম আমলাতন্ত্রের বিনিময়ে ভাইরাস ছড়ানোর ঝুঁকি বাড়ে, এটি খামারিদের মনে রাখতে হবে। ন্যাশনাল বিফ অ্যাসোসিয়েশনের নিল শ্যান্ড সিদ্ধান্তকে সবচেয়ে যৌক্তিক বললেও মনে করিয়ে দেন, গরুকে পুরোপুরি সুরক্ষার একমাত্র উপায় টিকা।
স্কটল্যান্ডের কৃষিমন্ত্রী জিম ফেয়ারলি বলেন, পশুকে রোগের সবচেয়ে খারাপ প্রভাব থেকে বাঁচানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় টিকা, তাই আগামী বছরের ঝুঁকিপূর্ণ মৌসুমের আগেই পশুচিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে টিকা নিশ্চিত করতে হবে। টিকায় উৎসাহ দিতে সরকার ও খাতের যৌথ একটি দল গঠন করা হচ্ছে। ব্লুটাং জানানো বাধ্যতামূলক রোগ; সন্দেহ হলে অ্যানিমেল অ্যান্ড প্ল্যান্ট হেলথ এজেন্সিকে জানাতে হবে।
ছবি: Scott Bauer, USDA ARS / উইকিমিডিয়া কমন্স (Public domain)
সূত্র: Farmers Weekly





মন্তব্য
(০)