সস্তা মাংসের বাজারে অস্ট্রেলিয়া কখনো ব্রাজিলকে হারাতে পারবে না, তাই দানাদার খাদ্যে মোটাতাজা গরুর প্রিমিয়াম বাজারে আরও জোর দিতে হবে। গত সপ্তাহে গোল্ড কোস্টে বিফএক্স (BeefEx) সম্মেলনে এমন মত দেন দেশটির মাংসশিল্পের নেতারা। সুরক্ষাবাদী পদক্ষেপ আর বড় উৎপাদক দেশগুলোর প্রতিযোগিতায় অস্ট্রেলিয়ার প্রধান রপ্তানি বাজারগুলো এখন চাপে।
জেবিএস নর্দার্নের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ব্রেন্ডান ট্যাট (Brendan Tatt) বলেন, "আমরা হয় কম খরচের পণ্য উৎপাদক হতে পারি, নয়তো প্রিমিয়াম ব্যবসায়ী।" তাঁর মতে, আগে যেকোনো গরুকে ১০০-১০৫ দিন খাইয়ে পাঠানো হতো; এখন গরু বাছাই করে নির্দিষ্ট কর্মসূচিতে দেওয়া হয়। লক্ষ্য হলো কম সময় খাইয়ে বেশি ওজন ও চর্বির মার্বেলিং পাওয়া, কারণ ভালো মানের মাংস বিক্রিতেই লাভ।
ট্যাট বলেন, ফিডলটের সক্ষমতা বাড়ালে গরু নিয়মিত বাজারে পাঠানো যাবে এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে থাইল্যান্ড পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলের ৮০ কোটি মানুষের বাজার ধরা যাবে। তাঁর ভাষায়, অস্ট্রেলিয়ার জেনেটিকস চমৎকার আর চারণভূমি বিশাল; তা অনির্ভরযোগ্য হলেও সেখানে অনেক গাভি পালন করা যায়।
মিট অ্যান্ড লাইভস্টক অস্ট্রেলিয়ার সিঙ্গাপুরভিত্তিক আন্তর্জাতিক বাজার ব্যবস্থাপক অ্যান্ড্রু কক্স (Andrew Cox) একমত হয়ে বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্যাকেটজাত মাংসের বড় সুযোগ আছে। কোরিয়া ও জাপানে যেভাবে ক্রেতার আস্থা জিতে সেগুলো বড় বাজার হয়েছে, এখন সেখানেও সেই চেষ্টা চলছে। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডানের বাজারও দ্রুত বাড়ছে বলে জানান তিনি।
অস্ট্রেলিয়ান লট ফিডার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান নির্বাহী ক্রিশ্চিয়ান মাল্ডার্সও এই আলোচনায় ছিলেন। আলোচনার সারসংক্ষেপ করেছেন বিফ সেন্ট্রালের এরিক বার্কার।
ছবি: CSIRO / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)
সূত্র: Beef Central




মন্তব্য
(০)