সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৭৯%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

পদ্মার বুকে বাঁশের বাঁধে নিধন হচ্ছে শতশত মণ জাটকা

ফরিদপুরের সদরপুরে পদ্মা নদীর বুকে বাঁশের বাঁধ দিয়ে চলছে অবাধে জাটকা নিধন। নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে আড়া-আড়ি বাঁশের বাধ নির্মাণ করে প্রতিদিন শতশত মণ জাটকা ধরা হচ্ছে।

ফরিদপুরের সদরপুরে পদ্মা নদীর বুকে বাঁশের বাঁধ দিয়ে চলছে অবাধে জাটকা নিধন। নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে আড়া-আড়ি বাঁশের বাধ নির্মাণ করে প্রতিদিন শতশত মণ জাটকা ধরা হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই এলাকায় অন্তত ২৫টি স্থানে এ ধরনের বাঁশের বাঁধ দিয়ে জাটকা শিকার করা হচ্ছে। উপজেলার আকোটের চর ইউনিয়নের শয়তানখালী, দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়ার সোনপচা ও চর নাছিরপুর ইউনিয়ন পদ্মা নদীর বিস্তীর্ণ অংশজুড়ে বাঁশ পুঁতে তৈরি করা হয়েছে অস্থায়ী বাঁধ। বাঁধের সঙ্গে বসানো হয়েছে সূক্ষ্ম ফাঁসের জাল। কোথাও ব্যবহার করা হচ্ছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল, কোথাও আবার টানা জাল দিয়ে অবাধে জাটকা ধরা হচ্ছে। নদীতে মাছের স্বাভাবিক চলাচল বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বিপুল পরিমাণ জাটকা এসব ফাঁদে আটকা পড়ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক জেলে জানান, এক একটি বাঁধে ৫-৬ জন করে জেলে ২৪ ঘণ্টা জাটকা শিকার করেন। জাটকা স্থানীয় বাজারে বিক্রির পাশাপাশি পাইকারদের মাধ্যমে নদী পথে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে। ফলে প্রশাসনের নজরদারি এড়িয়ে সহজেই বাজারজাত হচ্ছে বিপুল পরিমাণ জাটকা।

পদ্মাপাড়ে বাসিন্দাদের অভিযোগ, জাটকা নিধন অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন মারাত্মকভাবে হ্রাস পেতে পারে। সরকার প্রতিবছর নির্দিষ্ট সময়ে জাটকা রক্ষায় অভিযান পরিচালনা করলেও বছরের অন্যান্য সময়ে নজরদারির নেই বললেও চলে। আবার অভিযানে এলেও বাঁধ পুরোপুরি অপসারণ না করে কয়েকটি বাঁশ কেটে চলে যায়।

নজরুল ইসলাম নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, জাটকা রক্ষায় শুধু অভিযান নয়, জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে নদীতে এ ধরনের অবৈধ শিকার বন্ধ করা কঠিন হবে। পদ্মার ইলিশ রক্ষায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে চড়া মূল্য দিতে হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সদরপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, অবৈধ বাধ ও নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে নদী এলাকার বিস্তৃতি ও জনবল সংকটের কারণে সব স্থান একযোগে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। তারপরও এ বিষয়ে আমরা সচেষ্ট রয়েছি।

এন কে বি নয়ন/এমএন/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

সিংড়ার লাড়কিবাড়ী বিলে বিষ, সামাজিক মাছ চাষে চার লাখ টাকার ক্ষতি

নাটোরের সিংড়ায় চার দশক ধরে সামাজিকভাবে মাছ চাষ হওয়া লাড়কিবাড়ী বিলে রাতে কীটনাশক দেওয়ায় প্রায় চার লাখ টাকার মাছ মরেছে; বিলের দখল নিয়ে বিরোধকে দায়ী করছেন চাষিরা।

সমকাল২ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ডাম্পিং স্টেশন নেই, পৌরসভার বর্জ্য আর পয়োনিষ্কাশনের পানি যাচ্ছে ভৈরবের মেঘনায়

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে নদীর তীরে ময়লার স্তূপ, সরাসরি নদীতে পড়ছে পৌরসভার বর্জ্য ও প্লাস্টিক, ভরাট হচ্ছে খাল-বিল; জলজ প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য হুমকিতে।

দৈনিক বাংলা২ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

নিষেধাজ্ঞা থাকলেও দুই বছর ধরে কমছে ইলিশ, ৫.৭১ লাখ থেকে ৫ লাখ টনে

দুই দশকে দ্বিগুণের বেশি বাড়ার পর ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ইলিশ উৎপাদন কমেছে; গবেষকেরা দুষছেন দুর্বল বাস্তবায়ন, নদীদূষণ, চরের পরিবর্তন আর অপরিকল্পিত বালু উত্তোলনকে।

বাংলা ট্রিবিউন২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)