২০২৭ সালের শুরুতে বৈদ্যুতিক মাঠ রোবট এফএসআর৫০০ বাজারে আনতে চায় অস্ট্রেলিয়ার স্টার্টআপ ফিল্ডসেন্স (FieldSense)। ৬০০ কেজির যন্ত্রটি ৫০০ কেজি ভার আর ৩০০ লিটারের স্প্রে ট্যাংক বইতে পারে, আর এটি তৈরি বাজারে সহজলভ্য যন্ত্রাংশে, যা চাষি নিজেই বদলাতে পারবেন, জানিয়েছে ফিউচার ফার্মিং।
সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ডেল ক্রিড (Dale Creed) বলেন, হালকা ওজন ইচ্ছাকৃত, যাতে মাটি কম চেপে বসে, অথচ বেশি ভার নেওয়া আর কঠিন জমি পার হওয়া যায়। মেলবোর্নের প্রতিষ্ঠানটির তহবিল সংগ্রহ শেষ পর্যায়ে, তবে এখনো চূড়ান্ত হয়নি। ক্রিডের কথায়, যন্ত্রাংশ যেন সহজে পাওয়া যায় ও সারানো যায়, সেটিই তাদের মূল লক্ষ্য, যাতে চাষিকে সপ্তাহের পর সপ্তাহ যন্ত্রাংশের অপেক্ষায় থাকতে না হয়।
পরীক্ষায় আগের নমুনা রোবটটি ঘণ্টায় ৫ কিলোমিটার গতিতে প্রায় ১০০ হেক্টরে স্প্রে করেছে, আরটিকে অবস্থান-প্রযুক্তি, স্টারলিংক আর ৪জি ব্যাকআপে পথ চিনে, কোনো হস্তক্ষেপ ছাড়া ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করে। লক্ষ্য ঘণ্টায় ১০ কিলোমিটার, দুটি ৫.৫ কিলোওয়াট-ঘণ্টার ব্যাটারিতে প্রায় ছয় ঘণ্টা কাজ; হেক্টরে ১০০ লিটার হারে রিফিলসহ ঘণ্টায় প্রায় ৩ হেক্টর স্প্রের অনুমান, যা মাঠ পরীক্ষায় নিশ্চিত হতে বাকি। আপাতত ব্যাটারি হাতে বদলাতে হয়, চার্জে লাগে প্রায় চার ঘণ্টা।
সব কিছু এখনো কাজ করছে না। নির্দিষ্ট জায়গায় স্প্রে শুধু কারখানায় পরীক্ষিত; ৩ হাজার লিটারের ট্যাংকসহ স্বয়ংক্রিয় রিফিল স্টেশন, ব্যাটারি বদলের ডক, একাধিক রোবটের দলগত কাজ আর রাতে কাজ উন্নয়নের পর্যায়ে, আর এআই দিয়ে আগাছা চেনা বা ইউভি চিকিৎসা এখনো দেখানো হয়নি। প্রতিটি স্প্রের পরিমাণ, পণ্য, আবহাওয়া, সময় ও জিপিএস অবস্থান রেকর্ড রাখা হবে।
ক্রিড বলেন, পাঁচ লাখ বা তার বেশি দামের যন্ত্র আর ডিজেলের উচ্চমূল্যে চাষিরা চাপে আছেন, আর হালকা, সস্তা রোবট সেই কাজের একাংশ নিতে পারে। এফএসআর৫০০-এর দাম তিনি জানাননি।
ছবি: Jay Pea / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: Future Farming





মন্তব্য
(০)