যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি ভোক্তার জন্য লাল মাংস, পোলট্রি ও ডিমের প্রাপ্যতা ২০২৬ সালে বাড়বে এবং ২০২৭ সালে আরও বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ইউএসডিএর ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস (ERS)। সংস্থাটির এক চার্ট অব নোটে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এই হিসাব এসেছে অভ্যন্তরীণ বাজারে ব্যবহারের জন্য মাথাপিছু জোগানের ইউএসডিএ পূর্বাভাস থেকে। প্রাপ্যতাকে ভোগের সূচক হিসেবে ধরা হয়; এতে মুদি দোকানে বিক্রি হওয়া ও রেস্তোরাঁয় ব্যবহৃত তাজা ও প্রক্রিয়াজাত মাংস এবং ডিম অন্তর্ভুক্ত। ইউএসডিএর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে প্রতি মার্কিন ভোক্তার জন্য ২২৮.৮ পাউন্ড গরু, শূকর, ব্রয়লার ও টার্কির মাংস এবং ২২.৫ ডজন ডিম পাওয়া যাবে।
২০২৭ সালে মাথাপিছু প্রাপ্যতা এই চার ধরনের মাংসে ২২৯.৪ পাউন্ড এবং ডিমে ২২.৯ ডজনে পৌঁছাবে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
ব্রয়লার মুরগি যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি খাওয়া প্রাণিজ পণ্য, আর এর মাথাপিছু প্রাপ্যতা বহু বছর ধরে বাড়ছে। ২০২৬ সালে তা ১০৫.৬ পাউন্ড ও ২০২৭ সালে ১০৬.৫ পাউন্ডে পৌঁছাবে বলে অনুমান। টার্কির প্রাপ্যতা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কমছিল, তবে ২০২৬ সালে মাথাপিছু ১৩.৬ পাউন্ড ও ২০২৭ সালে ১৩.৮ পাউন্ডে বাড়বে বলে পূর্বাভাস।
২০২৬ সালে গরুর মাংসের মাথাপিছু প্রাপ্যতা ৬০.০ পাউন্ড ধরা হয়েছে, যা ২০২৫ সালের চেয়ে সামান্য বেশি; তবে ২০২৭ সালে তা কমে ৫৯.২ পাউন্ডে নামবে। শূকরের মাংস ২০২৬ সালে ৪৯.৬ পাউন্ড ও ২০২৭ সালে ৪৯.৯ পাউন্ড, যা ২০২৫ সালের ৪৯.৩ পাউন্ডের চেয়ে সামান্য বেশি। টেবিল ডিমের মাথাপিছু প্রাপ্যতা ২০২৬ সালে ২২.৫ ডজন ও ২০২৭ সালে ২২.৯ ডজন।
গবাদিপশু ও পোলট্রি খামারিদের জন্য এই পূর্বাভাস এমন এক বাজারের ছবি দেয়, যেখানে প্রতিটি শ্রেণিতে জোগান পর্যাপ্ত, মুরগি এখনও এগিয়ে যাচ্ছে, আর একমাত্র গরুর মাংসই ২০২৭ সালে কিছুটা কমার কথা। ERS অর্থনীতিবিদ Grace Grossen-এর তৈরি এই চার্ট ২০২৬ সালের মে মাসের ERS Livestock, Dairy, and Poultry Outlook থেকে নেওয়া।
সূত্র: ইউএসডিএ ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস





মন্তব্য
(০)