সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৫ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৫%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

আদমদীঘিতে রোপা আমন ধানের ফলন ভালো হলেও মাজরা পোকার আক্রমণে দিশেহারা কৃষক

আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় শস্য ভান্ডার বলে খ্যাত বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় এবার ও রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছেন কৃষকরা। গত বছরেও রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এ বছ

আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় শস্য ভান্ডার বলে খ্যাত বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় এবার ও রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছেন কৃষকরা। গত বছরেও রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এ বছরে মাঝে মধ্যে বৃষ্টিপাত হলেও আবহাওয়া অনুকলে থাকায় উপজেলায় এবারও রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছেন কৃষকরা।

আদমদীঘি উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাযায়, চলতি মৌসুমে উপজেলার একটি পৌরসভা ও ৬টি ইউনিয়ন মিলে এবার ১১ হাজার ১’শ ১৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে স্বর্ণা-৫, রনজিত, পায়জাম, হাইব্রিট, ব্রি-ধান-১১, ৩৪, ৪৯. ৬২সহ বেশ কয়েক জাতের আমন ধান রোপন করা হয়েছে

গত বছরের তুলনায় চলতি মৌসুমে আমন ক্ষেতে তেমন কোনো রোগবালাই ছিল না বললেই চলে। তবে উপজেলায় কিছু কিছু এলাকায় এখন আমন ধানের খেতে ব্যাপকভাবে মাজরা পোকা, ফরিং জাতীয় পোকা ও অচেনা জাতের সাদা এক প্রকার পোকার আক্রমণ শুরু হয়েছে। এ সব পোকা দমনে ব্যর্থ হওয়ায় কৃষকেরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। পোকা দমন বা নিধনে উপজেলা কৃষি অফিসের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা মাঠ পর্যায়ে এসে পরিদর্শন করে কৃষকদের বিভিন্ন বালাই ও কিট নাশক দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন।

শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) উপজেলার সান্তাহার ইউনিয়নের দমদমা, সান্দিড়া, কাশিমিলা, প্রসাদখালীসহ কয়েকটি গ্রামের মাঠে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় সব জমির আমন ধানের গাছে ব্যাপকভাবে মাজরা পোকা আক্রমণ করেছে। মাজরা পোকার আক্রমণের কারণে অধিকাংশ ধানগাছের পাতা মরে হলুদ রং ধারণ করেছে। কোনো কোনো জমির ধানগাছ প্রায় পাতাশূন্য হয়ে মরে যাচ্ছে। মাজরা দমনে কৃষকেরা বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক ব্যবহার করেও কোনো ধরনের সুফল পাচ্ছেন না। ইতিমধ্যে অনেক ধানগাছ থেকে মোচা বের হতে শুরু করেছে।

রোপাআমন ধান গাছ ভাল রাখতে ও ধানের উৎপাদন বাড়াতে কৃষি কর্মকর্তা ও উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাগনের পরামর্শে রোগ বালাই দমনে বিভিন্ন কীট নাশক ওষধ প্রয়োগসহ সার্বক্ষনিক জমিতে পরিচর্যা বিষয়ক পরামর্শ দিচ্ছেন তারা কৃষকদের।

কৃষক তৈহিদুর রহমান, সুনিল চন্দ্র, হিরু আলমসহ অনেকেই জানান, সবুজে ঘেরা রোপা আমনের মাঠ দেখে যেন এক মূহুর্তের জন্যেও বিশ্রাম নেয়ার ফুরসত নেই। যেদিকে চোখ যায় সবুজের অপরুপ সমারাহ। মাঠে মাঠে হাওয়ায় দুলছে আমন ধানের সবুজপাতা, আর আনন্দে দুলছে কৃষকদের মন। মাঝেমধ্যে বৃষ্টিপাত হলেও আমন আবাদের জন্য আবহাওয়া অনুকুলে তাই ফুরফুরে মেজাজে রয়েছে কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মিঠু চন্দ্র অধিকারি জানান, সামান্য কিছু এলাকায় রোপাআমন ধানে রোগবালাই হলেও আমরা সময়মত কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে আসছি। আশাকরা যায় খুব দ্রতুই পোকার আক্রমণ সমস্যার সমাধান হবে। এ ছাড়া উপজেলা কৃষি অফিসের মাঠপর্যায়ে থাকা উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাগন কৃষকদের সময় মত পরামর্শ দেয়ায় আমন ক্ষেতে এবার রোগবালাই তেমন একটা লক্ষ্য করা যাচ্ছেনা। ধানগাছে রোগবালাই না থাকায় এবারও বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।

আমাদেরসময়.কমসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

কুয়াকাটার চর বিজয়ে নীল ভেরডিটার ফ্লাইক্যাচার, বৃষ্টিভেজা পাখিকে সারিয়ে ছাড়লেন জেলে

কুয়াকাটার নির্জন চর বিজয়ে দেখা মিলেছে শীতের পরিযায়ী ভেরডিটার ফ্লাইক্যাচারের; প্রায় ২৩০ একরের চরে বন বিভাগ বলছে ৮-১০ প্রজাতির পাখি আর লাল কাঁকড়ার বিচরণ, কিন্তু নজরদারির লোকবল ও নৌযান নেই।

বাংলাভিশন৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

আন্দিজের ৪,৮০০ মিটার উচ্চতায় নতুন গিরগিটি, পেরুতে প্রজাতি দাঁড়াল ২৯৬

পেরুর আরেকিপা অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪,৮০০ মিটারের বেশি উচ্চতায় ৬-৮ সেন্টিমিটারের নতুন প্রজাতির গিরগিটি লিওলেইমাস আর্কাইপেনসিসের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা; গবেষণাটি ডাইভারসিটি সাময়িকীতে প্রকাশিত।

আজকের পত্রিকা৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা ২৫ দেশ ঋণে দেউলিয়ার পথে, ঢাকায় বললেন নাশিদ

বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনের সমাপনীতে মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদ বলেন, অভিযোজনে জাতীয় আয়ের প্রায় ৩০ শতাংশ ব্যয় করছে মালদ্বীপ; প্রবাল ও ম্যানগ্রোভের মতো প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান বাঁধের চেয়ে অনেক সস্তা।

সমকাল৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)