কেনিয়ার অনেক ক্ষুদ্র কৃষক সার কেনেন গত মৌসুমে কী কাজ দিয়েছিল তা ভেবে। মৃত্তিকাবিজ্ঞানী প্রিসিলা ওয়াকারেরা (Priscilla Wakarera) চান, তাঁরা আগে জানুন মাটির আসলে কী দরকার। এজিআরএর প্রতিবেদন বলছে, এ তথ্য না থাকলে মাটি বেশি অম্লীয়, পুষ্টিহীন নাকি পানি ধরে রাখতে অক্ষম, তা না জেনেই কৃষকের টাকা খরচ হয়।
তাঁর প্রতিষ্ঠান রিয়ার (Rhea) প্রশিক্ষিত কৃষিবিদেরা অ্যাগ্রিপ্যাড (AgriPad) নামের বহনযোগ্য যন্ত্র নিয়ে খামারে যান। ফলে নমুনা আর দূরের গবেষণাগারে পাঠাতে হয় না।
ফল আসে এসএমএস, হোয়াটসঅ্যাপ বা রিয়া অ্যাপে। সঙ্গে থাকে কোন সার, কতটা ও কখন দিতে হবে তার নির্দেশনা। পরামর্শে সেচ, ফসল বাছাই ও মাটি ব্যবস্থাপনাও থাকতে পারে। হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটবটে কৃষক পরের প্রশ্ন করতে পারেন, ফসলের ছবি পাঠিয়ে পোকা, রোগ বা পুষ্টির ঘাটতি সম্পর্কে পরামর্শ নিতে পারেন।
ওয়াকারেরার ভাষ্য, রিয়ার সেবা নেওয়া কৃষকদের ৭৭ শতাংশের বেশি পরামর্শ পেয়ে জৈব পদার্থ দেওয়া বাড়িয়েছেন, অর্ধেকের বেশি সারের ধরন বদলেছেন। কেউ কেউ একবারে না দিয়ে ধাপে ধাপে অল্প অল্প সার কিনছেন, তাতে নগদ টাকার চাপ কমে। এসব প্রতিষ্ঠানটির নিজের হিসাব।
ভুট্টা, শিম, কফি ও অ্যাভোকাডোতে এই সেবা ব্যবহার হচ্ছে। ওয়াকারেরা বলেন, সব কৃষিকাজের ভিত্তি হওয়া উচিত মাটি পরীক্ষা।
ছবি: Agne27 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: এজিআরএ



মন্তব্য
(০)