সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৬ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬৩%বাতাস ১০ কিমি/ঘ

খেতেই মাটি পরীক্ষা, ফোনে সারের পরামর্শ: কেনিয়ার বিজ্ঞানীর উদ্ভাবন

প্রিসিলা ওয়াকারেরার প্রতিষ্ঠান রিয়া বহনযোগ্য অ্যাগ্রিপ্যাড যন্ত্রে মাটি পরীক্ষা করে এসএমএস ও হোয়াটসঅ্যাপে জানায় কোন সার, কতটা ও কখন দিতে হবে।

খেতেই মাটি পরীক্ষা, ফোনে সারের পরামর্শ: কেনিয়ার বিজ্ঞানীর উদ্ভাবন
এগ্রোটেক

কেনিয়ার অনেক ক্ষুদ্র কৃষক সার কেনেন গত মৌসুমে কী কাজ দিয়েছিল তা ভেবে। মৃত্তিকাবিজ্ঞানী প্রিসিলা ওয়াকারেরা (Priscilla Wakarera) চান, তাঁরা আগে জানুন মাটির আসলে কী দরকার। এজিআরএর প্রতিবেদন বলছে, এ তথ্য না থাকলে মাটি বেশি অম্লীয়, পুষ্টিহীন নাকি পানি ধরে রাখতে অক্ষম, তা না জেনেই কৃষকের টাকা খরচ হয়।

তাঁর প্রতিষ্ঠান রিয়ার (Rhea) প্রশিক্ষিত কৃষিবিদেরা অ্যাগ্রিপ্যাড (AgriPad) নামের বহনযোগ্য যন্ত্র নিয়ে খামারে যান। ফলে নমুনা আর দূরের গবেষণাগারে পাঠাতে হয় না।

ফল আসে এসএমএস, হোয়াটসঅ্যাপ বা রিয়া অ্যাপে। সঙ্গে থাকে কোন সার, কতটা ও কখন দিতে হবে তার নির্দেশনা। পরামর্শে সেচ, ফসল বাছাই ও মাটি ব্যবস্থাপনাও থাকতে পারে। হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটবটে কৃষক পরের প্রশ্ন করতে পারেন, ফসলের ছবি পাঠিয়ে পোকা, রোগ বা পুষ্টির ঘাটতি সম্পর্কে পরামর্শ নিতে পারেন।

ওয়াকারেরার ভাষ্য, রিয়ার সেবা নেওয়া কৃষকদের ৭৭ শতাংশের বেশি পরামর্শ পেয়ে জৈব পদার্থ দেওয়া বাড়িয়েছেন, অর্ধেকের বেশি সারের ধরন বদলেছেন। কেউ কেউ একবারে না দিয়ে ধাপে ধাপে অল্প অল্প সার কিনছেন, তাতে নগদ টাকার চাপ কমে। এসব প্রতিষ্ঠানটির নিজের হিসাব।

ভুট্টা, শিম, কফি ও অ্যাভোকাডোতে এই সেবা ব্যবহার হচ্ছে। ওয়াকারেরা বলেন, সব কৃষিকাজের ভিত্তি হওয়া উচিত মাটি পরীক্ষা।

ছবি: Agne27 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: এজিআরএ

এজিআরএসূত্র

এগ্রোটেক

সম্পর্কিত খবর

ফল

মালচিং ও স্প্রিংকলার প্রযুক্তিতে ৪ বিঘায় মাল্টা-কমলা-শসা, ডিমলার মনিরুজ্জামান

বাগানের ফাঁকে বছরে চার দফা শসা; মালচিংয়ে আগাছা কমে, স্প্রিংকলারে পানি ও শ্রম বাঁচে, খরচ বাদে বছরে ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা লাভের কথা জানা গেছে।

কৃষি সময়৬ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

ভারতের চার রাজ্যে নিবন্ধন পেল জার্মান প্রযুক্তির ন্যানো কপার সার

ডা. হাইনিশ অ্যাগ্রো সলিউশনসের দাবি, তরল অ্যাগ্রোকুপ্রাম একরে প্রায় ১০০ মিলিলিটার লাগে, যা প্রচলিত কপারের মাত্রার চেয়ে অনেক কম। ২০২৪ সালের ন্যানো সার বিধিতে এই নিবন্ধন।

অ্যাগ্রোস্পেকট্রাম৬ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মতামত

মতামত: বিশ শতকের সম্প্রসারণ দিয়ে ২০৪৭ সালের কৃষি গড়া যাবে না ভারতে

ভুবনা নারায়ণরাও ও রবি নন্দী লিখেছেন, ওপর থেকে চাপানো প্রযুক্তি হস্তান্তরের বদলে দরকার মানুষনিয়ন্ত্রিত এআইসহ চার স্তম্ভের কৃষি সুযোগ ব্যবস্থা।

ডাউন টু আর্থ৬ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)