সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৫৩%বাতাস ৬ কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৬ মিমি

সেবা ফাউন্ডেশনে মেছোবাঘের ঘরে নতুন অতিথি

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনে রাখা মেছোবাঘটি একটি নতুন শাবকের জন্ম দিয়েছে। শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) সকালে মেছোবাঘটি খাঁচার ভেতর নতুন এ শাবকের জন্ম দেয়।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনে রাখা মেছোবাঘটি একটি নতুন শাবকের জন্ম দিয়েছে। শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) সকালে মেছোবাঘটি খাঁচার ভেতর নতুন এ শাবকের জন্ম দেয়।

বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন, শ্রীমঙ্গল-এর পরিচালক সজল দেব বলেন, সকাল ১০টার দিকে জন্ম হয় শাবকটির। এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো বাচ্চা দিলো মেছোবাঘটি। চারবারে মোট ছয়টি বাচ্চা হলো মেছোবাঘটির।

বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মনিরুল এইচ খান বলেন, মেছোবাঘের স্বভাব অনেকটা বন বিড়ালের মতো। তবে আকারে এরা বন বিড়ালের চেয়ে বড়, প্রায় কুকরের কাছাকাছি। মেছোবাঘ বাংলাদেশের সর্বত্রই কমবেশি দেখা যায়। তবে জলাভূমি এলাকায় বেশি থাকে। এরা সাধারণত রাতেই শিকারে বের হয়। মাছ, ব্যাঙ, কাঁকড়া, ইঁদুর, পাখি এদের প্রধান খাদ্য।

আব্দুল আজিজ/ইউএইচ/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

বাংলাদেশ

AEZ-০৭: সক্রিয় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা প্লাবনভূমি, যেখানে নদী জমি গড়ে আবার কেড়েও নেয়

নদীভাঙন, নতুন চর, বালু-পলির মাটি আর অনিশ্চিত বন্যার মৌসুম। কুড়িগ্রাম থেকে মানিকগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার হেক্টরের এই অঞ্চলে কৃষিকে টেকসই করতে দরকার জমিভিত্তিক তথ্য, উপগ্রহচিত্রের পর্যবেক্ষণ আর সময়মতো পরিকল্পনা।

তানিয়া চৌধুরী১ নভেম্বর ২০২৬১৩ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বরেন্দ্রে বছরে ০.৬ মিটার পর্যন্ত নামছে পানির স্তর, সমন্বিত পানিনীতির দাবি

রাজশাহীতে নীতি সংলাপে বিশেষজ্ঞ ও জনপ্রতিনিধিরা ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানি, খাল-বিল সংস্কার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও কম পানির ফসলের ওপর জোর দিয়েছেন।

বাসস১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

দুই উৎসের বর্জ্য ঠেকালে হালদার ৮০ শতাংশ দূষণ কমতে পারে, বলছেন গবেষকেরা

অনন্যা আবাসিক এলাকা হয়ে আসা সিটি করপোরেশনের বর্জ্য আর বাহির সিগন্যাল শিল্প এলাকার বর্জ্য সামলাতে পারলে হালদার দূষণ অনেকটাই কমবে; এ বছর মা-মাছের ডিম মিলেছে প্রায় ৬ হাজার কেজি।

দৈনিক বাংলা১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)