সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৯ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৫°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৯৩%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

বরিশালে ধরা পড়ছে বিপুল পরিমাণ পাঙাশ

ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর মেঘনা, তেঁতুলিয়াসহ আশপাশের নদ-নদীতে প্রচুর পাঙাশ ধরা পড়ছে। সাধারণত এ নিষেধাজ্ঞার সময় শেষ হওয়ার পর জেলেদের জালে ইল

ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর মেঘনা, তেঁতুলিয়াসহ আশপাশের নদ-নদীতে প্রচুর পাঙাশ ধরা পড়ছে। সাধারণত এ নিষেধাজ্ঞার সময় শেষ হওয়ার পর জেলেদের জালে ইলিশই বেশি পাওয়ার কথা। কিন্তু বরিশালের বাজারে গত মঙ্গলবার ও গতকাল বুধবারও ইলিশের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক পাঙাশ এসেছে।

হঠাৎ করে পাঙাশের আধিক্য দেখে জেলে ও ব্যবসায়ীরা অনেকটা হতবাক। কারণ, আগে দক্ষিণের নদ-নদীতে প্রচুর পাঙাশ পাওয়া যেত। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুর্বল ব্যবস্থাপনা, জলাশয় হ্রাস, প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস এবং অতিরিক্ত মাছ ধরার কারণে এই মাছ অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে। বিজ্ঞাপনবিজ্ঞাপন

ওয়ার্ল্ডফিশের ইকোফিশ-২ প্রকল্পের গবেষকেরা ২০১৭ সালে পাঙাশের ওপর একটি গবেষণা পরিচালনা করেন। এতে বলা হয়, চাঁইয়ের মতো ধ্বংসাত্মক ফাঁদ ব্যবহার করে বিপুল পরিমাণ পাঙাশের পোনা নিধন করায় এর বংশবিস্তারে মারাত্মক প্রভাব পড়ে।

ইকোফিশের গবেষকেরা ২০১৭ সালে ভোলা ও পটুয়াখালীর ওপর দিয়ে প্রবাহিত তেঁতুলিয়া নদীতে পাঙাশের ওপর একটি সমীক্ষা চালান। এই গবেষণা কার্যক্রমের নেতৃত্বে ছিলেন ইকোফিশের গবেষক ও শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ, অ্যাকোয়াকালচার অ্যান্ড মেরিন সায়েন্স অনুষদের সহকারী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী। এ সময় তাঁরা ১২টি স্থানের সন্ধান পান। এসব স্থান পাঙাশ বা ক্যাটফিশ-জাতীয় মাছের প্রজননক্ষেত্র। এগুলো হচ্ছে হাদির চর, চরগুণী, মাঝের চর, পাতার চর, চর বোরহান, চর কলমি, চর কাজল, বনতলী, চর মন্তাজ, চর বিশ্বাস, ছোট বাইশদিয়া ও চালিতাবুনিয়া। এসব এলাকায় সংঘবদ্ধ একটি জেলে চক্র চাঁই দিয়ে বিপুলসংখ্যক ছোট পাঙাশ ধরে। এই চক্রে আছেন ২০ জন জেলে।বিজ্ঞাপন

বাঁশের ছোট কঞ্চি দিয়ে তৈরি এসব চাঁইয়ে ছোট আকারের পাঙাশের বিপুল পোনা ধরা পড়ে, যা ৪০টিতে ১ কেজি ওজন হয় এমন আকারের। প্রতিদিন একেকজন জেলের চাঁইয়ে এমন আকারের অন্তত ১২০ কেজি পাঙাশের পোনা নিধন হচ্ছে। ফলে এই ২০ জন জেলে চাঁই দিয়ে বছরের ছয় মাসে অন্তত দুই কোটি পাঙাশের পোনা নিধন করছেন। এসব ছোট পোনা বাজারে নদীর ট্যাংরা বলে বিক্রি করেন তাঁরা। ট্যাংরা ৫ থেকে ১০ সেন্টিমিটারের বেশি বড় হয় না।

ইকোফিশের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাঙাশের এসব প্রজননক্ষেত্র যদি রক্ষা করা যায়, তবে প্রায় বিপন্ন এই গোত্রকে আবার ব্যাপকভাবে নদীতে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। যদিও সরকার নভেম্বর

থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত ৩০ সেন্টিমিটারের নিচে পাঙাশের পোনা ধরা নিষিদ্ধ করেছে। কিন্তু এই আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন ও জেলেদের মধ্যে এই আইন সম্পর্কে সচেতনতা না থাকায়, পোনা নিধন অব্যাহত রয়েছে।

বরিশাল নগরীর পোর্ট রোডের কয়েকজন আড়তদার বলেন, মঙ্গলবার থেকে ইলিশের ট্রলারে আসছে নদীর পাঙাশ। দুই দিন ধরে ক্রেতারা ইলিশের বদলে পাঙাশ বেশি কিনছেন। জেলেদের বরাত দিয়ে আড়তদারেরা বলেন, মেঘনা, আড়িয়াল খাঁ, কালাবদর, লতা, তেঁতুলিয়া নদীতে এখন ধরা পড়ছে প্রচুর পাঙাশ।

পোর্ট রোড মাছের আড়তের মালিক জহির সিকদার বলেন, মেঘনা ও শাখানদীতে জেলেদের জালে প্রচুর পাঙাশ ধরা পড়ছে। নিষেধাজ্ঞা শেষে আড়তে ইলিশের চেয়ে পাঙাশ বেশি এসেছে।

প্রথম আলোসূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

সমুদ্রবিজ্ঞান ও ওয়ান হেলথ গবেষণায় জাপানের এহিমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তি করছে ঢাবি

জাপানের এহিমে বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি, মৎস্যচাষ ও পশুপালনের রাসায়নিক ঝুঁকি নিয়ে সিম্পোজিয়ামে পাঙ্গাসের খাদ্যে ন্যানো-পার্টিকেল, জলজ পরিবেশে অ্যান্টিবায়োটিক দূষণসহ গবেষণা তুলে ধরেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা; দুই বিশ্ববিদ্যালয় সমঝোতা স্মারক সই করবে।

দিনাজপুর টিভি৯ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
গ্যালারি

একঝলক ৯ অক্টোবর: জাল মেরামত, কাকতাড়ুয়া, মেস্তার ফুল আর পানের বরজের কাশ

ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞায় বরিশালে সড়কের পাশে জাল সারাচ্ছেন জেলেরা, বগুড়ার খেতে কাকতাড়ুয়া, সিরাজগঞ্জে মেস্তার ফুল, খুলনায় পানের বরজের জন্য কাশ কাটা; প্রথম আলোর আলোকচিত্রীদের চোখে দিনের গ্রাম।

প্রথম আলো৯ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মতামত

মাছের ভান্ডার নিয়েও বাইরে থেকে মাছ কেনে উত্তর-পূর্ব ভারত, কলামে কোল্ড চেইনের দাবি

কৃষি জাগরণে এক কলামে তরুণ শ্রীধর লিখেছেন, জেলা পর্যায়ে কোল্ড স্টোরেজ, ঋণ, খাঁচায় মাছ চাষ আর বাজার সংযোগ গড়লে উত্তর-পূর্ব ভারত নিজের মাছের চাহিদা মেটাতে ও শোভাবর্ধক মাছ রপ্তানি করতে পারে।

কৃষি জাগরণ৯ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)