সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৫৬%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

শখ থেকে পাখির ব্যবসা, মাসে বিক্রি ৩ লাখ

ছোটবেলা থেকেই পাখির প্রতি শখ ও গভীর ভালোবাসা মেহেদী হাসান শুভর। সেই ভালোবাসাকে পুঁজি করে গড়ে তুলেছেন পাখির ব্যবসা। প্রতি মাসে ২-৩ লাখ টাকার পাখি বিক্রি করেন এই তরুণ উদ্যোক্তা।‎‎রাজধানীর পুরান ঢাকার লালবাগ এলাকার নবাবগঞ্জ বাজারে মেহেদী হাসান শুভর আছে একটি পাখির দোকান। বড় ভাইয়ের উৎসাহ ও সহযোগি

ছোটবেলা থেকেই পাখির প্রতি শখ ও গভীর ভালোবাসা মেহেদী হাসান শুভর। সেই ভালোবাসাকে পুঁজি করে গড়ে তুলেছেন পাখির ব্যবসা। প্রতি মাসে ২-৩ লাখ টাকার পাখি বিক্রি করেন এই তরুণ উদ্যোক্তা।‎‎রাজধানীর পুরান ঢাকার লালবাগ এলাকার নবাবগঞ্জ বাজারে মেহেদী হাসান শুভর আছে একটি পাখির দোকান। বড় ভাইয়ের উৎসাহ ও সহযোগিতায় তিনি এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হন। শুভর দোকানে আছে নানা প্রজাতির দামি পাখি। এর মধ্যে সানকনুর জাতের পাখিই বেশি। দেখতে আকর্ষণীয়, রঙিন পালক আর কথা বলার ক্ষমতার কারণে এই পাখি ক্রেতাদের কাছে বেশ জনপ্রিয়।‎‎প্রতি জোড়া সানকনুর পাখি তিনি বিক্রি করেন ৩০-৪০ হাজার টাকা। শুধু বড় পাখিই নয়, বাচ্চা পাখিও বিক্রি করেন তিনি। কোনো কোনো পাখির দাম লাখ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। সব মিলিয়ে বর্তমানে তার দোকানে প্রায় ১০ লাখ টাকার পাখি আছে।‎মেহেদী হাসান শুভ জানান, প্রতিদিন দোকান খোলা থাকলেও সাপ্তাহিক ঢাকার কোনো পাখির হাট বা মেলায় তিনি পাখি নিয়ে যান। দোকানের তুলনায় হাট বা মেলায় বিক্রি বেশি হয়। কারণ সেখানে পাইকারি ও খুচরা—দুই ধরনের ক্রেতাই আসেন।

‎পাখিগুলো কিনতে আসেন নানা বয়সী মানুষ। কেউ কিনছেন শখে, কেউ উপহার দেওয়ার জন্য। কেউ কেউ আসেন ব্যবসার কারণে। হাটের পরিবেশে একসঙ্গে অনেক পাখি দেখার সুযোগ থাকায় ক্রেতাদের আগ্রহও বেশি থাকে। দরদাম, পছন্দ-অপছন্দ—সব মিলিয়ে হাট পাখি ব্যবসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুনপোকা চাষে ভাগ্যবদল শিমুলের, মাসে আয় ২ লাখ অসিত বসুর মাশরুম চাষ, মাসে বিক্রি ১০০ কেজি

‎শুধু দোকান বা হাটেই সীমাবদ্ধ নন শুভ। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে অনলাইনেও পাখি বিক্রি করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ক্রেতারা তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। অনলাইন বিক্রির ফলে তার ব্যবসার পরিধিও বিস্তৃত হয়েছে।‎‎ব্যবসার আয়-ব্যয় প্রসঙ্গে শুভ বলেন, 'মাসে গড়ে ২-৩ লাখ টাকার পাখি বিক্রি হয়। তবে পাখির খাবার, খাঁচা, চিকিৎসা, দোকান ভাড়া ও অন্যান্য খরচ বাদ দিয়ে মাসে ভালোই লাভ থাকে।'‎‎এই তরুণ উদ্যোক্তা বলেন, 'শুরুটা মোটেও সহজ ছিল না। সীমিত পুঁজি আর অভিজ্ঞতার অভাব—সব মিলিয়ে চ্যালেঞ্জ ছিল অনেক। তবে পাখির প্রতি ভালোবাসা আর ধৈর্যই এগিয়ে যেতে সাহস জুগিয়েছে। ধীরে ধীরে পাখি চেনা, তাদের যত্ন, খাবার, রোগ-ব্যাধি সম্পর্কে ধারণা বাড়তে থাকে। ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বিশ্বাস তৈরি হয়। সবকিছুই শিখেছি হাতেকলমে।'

‎‎শুভ মনে করেন, 'পাখির ব্যবসায় সফল হতে হলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যত্ন ও ভালোবাসা। পাখি শুধু পণ্য নয়, তারা জীবন্ত প্রাণী। তাদের ঠিকমতো খাবার, পরিষ্কার পরিবেশ ও চিকিৎসা নিশ্চিত না করলে এই ব্যবসা টিকবে না।'‎‎ভবিষ্যতে ব্যবসাকে বড় করার স্বপ্ন দেখেন এই তরুণ উদ্যোক্তা। নতুন নতুন জাতের পাখি আনা, আরও বড় পরিসরে দোকান গড়ে তোলা—এমন নানা পরিকল্পনা আছে তার। শহরের ব্যস্ত জীবনের মাঝে পাখির ডানায় ভর করে শুভ এগিয়ে চলেছেন নিজের স্বপ্নের পথে।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

বাংলাদেশ

AEZ-০৭: সক্রিয় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা প্লাবনভূমি, যেখানে নদী জমি গড়ে আবার কেড়েও নেয়

নদীভাঙন, নতুন চর, বালু-পলির মাটি আর অনিশ্চিত বন্যার মৌসুম। কুড়িগ্রাম থেকে মানিকগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার হেক্টরের এই অঞ্চলে কৃষিকে টেকসই করতে দরকার জমিভিত্তিক তথ্য, উপগ্রহচিত্রের পর্যবেক্ষণ আর সময়মতো পরিকল্পনা।

তানিয়া চৌধুরী১ নভেম্বর ২০২৬১৩ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বরেন্দ্রে বছরে ০.৬ মিটার পর্যন্ত নামছে পানির স্তর, সমন্বিত পানিনীতির দাবি

রাজশাহীতে নীতি সংলাপে বিশেষজ্ঞ ও জনপ্রতিনিধিরা ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানি, খাল-বিল সংস্কার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও কম পানির ফসলের ওপর জোর দিয়েছেন।

বাসস১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

দুই উৎসের বর্জ্য ঠেকালে হালদার ৮০ শতাংশ দূষণ কমতে পারে, বলছেন গবেষকেরা

অনন্যা আবাসিক এলাকা হয়ে আসা সিটি করপোরেশনের বর্জ্য আর বাহির সিগন্যাল শিল্প এলাকার বর্জ্য সামলাতে পারলে হালদার দূষণ অনেকটাই কমবে; এ বছর মা-মাছের ডিম মিলেছে প্রায় ৬ হাজার কেজি।

দৈনিক বাংলা১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)