সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৪°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৫৯%বাতাস কিমি/ঘ

মরুভূমির উটের খামার রাজধানীতে

জিহাদুল ইসলাম

লাইভস্টক

জিহাদুল ইসলাম

উটের বয়স মাত্র এক বছর। অথচ দেখতে প্রায় হাতির মতো। মানুষের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ উচ্চতার উটগুলোকে লালন-পালন করা হচ্ছে পরম যত্নে। ২০ থেকে ৪০ লাখ টাকা দামের একেকটি উটের বিশাল খামার করা হয়েছে খোদ রাজধানীতে।

নানা উপকারিতা থাকায় উটের দুধের চাহিদাও রয়েছে ব্যাপক। প্রতি লিটার উটের দুধের মূল্য প্রায় ৪০০ টাকা। প্রতিটি উট দিনে খাবার খায় প্রায় ৩০০ টাকার। এই খামারে প্রতি মাসে উটের খাবারের পেছনেই শুধু খরচ হয় ১ লাখ টাকার ও বেশি।

দেশে প্রথমবারের মতো রাজধানীর আরামবাগের দেওয়ানবাগ শরীফে গড়ে উঠা খামারে অন্য গৃহপালিত পশুর মতোই লালন-পালন করা হচ্ছে উট। কোরবানির পশু হিসেবে পরিচিত মরুভুমির উট দেখতে প্রতিনিয়তই আসেন দর্শনার্থীরা।

আরও পড়ুন'পচা কলার' দোকানে মাসে বিক্রি লাখ টাকা

খামারের শুরুতে ২০০৪ সালে রাজস্থান থেকে গাবতলির হাটে আসা ১০ টি উট কিনে শুরু করা হয়। এরপর সময়ের ব্যবধানে এই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ৬৫তে। এখন অবশ্য এতো সংখ্যক উট নেই খামারটিতে। গত ১৮ বছর ধরে এই খামারে কাজ করেন সাহার আলী। তিনি জানান উটের সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করছেন খামারের দায়িত্বপ্রাপ্তরা।

প্রতিদিন দুই বেলা খাবার হিসেবে খড় দেওয়া হয় উটগুলোকে। এছাড়া সকাল ১১ টার পর নির্দিষ্ট পাত্রে পানিতে ভুসি ও খৈল মিশিয়ে একত্রে উটগুলোকে খেতে দেওয়া হয়।

অন্যান্য প্রাণীর মতোই রোগ বালাই হয় উটের। বিশেষ করে জ্বর, গ্যাস্ট্রিক, চর্মরোগ প্রায়ই আক্রমণ করে মরুভূমির আবহাওয়ায় অভ্যস্ত এসব উটকে। এছাড়া পায়ের তালুতে ক্ষুর না থাকায় নানা ধরনের সমস্যায় মাঝে মধ্যেই পা ফুলে উঠে বলে জানান সাহার আলী। দেশের পরিবেশে উট লালন-পালন করা ভালোভাবেই সম্ভব বলে মনে করেন তিনি। তবে বিশেষ পরিচর্যা আর দলবদ্ধভাবে লালন পালন করতে হবে বিশালদেহী প্রাণীকে।

আরও পড়ুনফুটপাতে চা বিক্রি করতেন, এখন কফি শপের মালিক

অপরিচিত কাউকে দেখলে কিছুটা তেড়ে আসে মরুভূমির এই প্রাণী। তবে যারা দীর্ঘদিন পরিচর্যা করছেন তাদের সঙ্গে গড়ে উঠেছে বিশেষ সখ্যতা। এমনকি খামারের প্রতিটি উটের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কেও গভীর ধারণা রয়েছে এখানকার শ্রমিকদের।

বিশেষ এই খামারটি করেছিলেন সুফি সম্রাট শাহ দেয়ানবাগী। বর্তমানে পাক দেওয়ানবাগ শরিফের দায়িত্বশীলরা খামারটি পরিচালনা করছেন। উটগুলো দেখাশোনাসহ বিভিন্ন কাজে জড়িত রয়েছে প্রায় ২০ জন কর্মচারী। মাসিক নির্দিষ্ট কোনো বেতন না দেওয়া হলেও দেওয়ানবাগ শরিফ থেকে তাদের জীবন যাপনের খরচ ঠিকই চলে আসে।

আরও পড়ুন

. সিদ্ধ ডিম বেচে হয়েছেন স্বাবলম্বী, করেছেন বাড়ি. ফেলে দেওয়া মাছের আঁশ বিক্রি করে স্বাবলম্বী তারা কেএসকে/এমএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

টনপ্রতি ৫৪০ ডলারের রেশন: অস্ট্রেলিয়ার ফিডলটে ১০০ দিনের গরুতে মাথাপিছু ১৭০ ডলার লোকসান

বিফ সেন্ট্রালের সর্বশেষ ১০০ দিনের গ্রেইনফেড ট্রেডিং বাজেটে কুইন্সল্যান্ডের ডার্লিং ডাউন্সের কাস্টম ফিডলটে এ সপ্তাহে ঢোকা ৪৫০ কেজির একটি ফিডার বাছুরে লোকসান ১৭০ ডলার—ফিডার ৫২০ সেন্ট/কেজি, রেশন ১৫ বছরের সর্বোচ্চের কাছে টনপ্রতি ৫৪০ ডলার, আর ব্রেকইভেন ৯২৬ সেন্টের বিপরীতে ফরোয়ার্ড চুক্তি ৮৭৫ সেন্ট/কেজি।

Beef Central২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

গরু কিনে লাভ হবে কি না—উত্তর আয়ারল্যান্ডের খামারিদের জন্য চারটি হিসাবযন্ত্র আনল সিএএফআরই

উত্তর আয়ারল্যান্ডের কলেজ অব এগ্রিকালচার, ফুড অ্যান্ড রুরাল এন্টারপ্রাইজ (CAFRE) অনলাইনে চারটি ক্যালকুলেটর চালু করেছে—স্বল্পমেয়াদি ফিনিশিং, বাছুর থেকে মাংস, ষাঁড়ের মাংস আর ‘রাখব না বেচব’—যাতে খামারি নিজের ক্রয়মূল্য, খাদ্যব্যয় ও মাংসের দামের হিসাব বসিয়ে গরুপ্রতি ও দিনপ্রতি মার্জিন আগেই দেখে নিতে

Agriland২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
অন্যান্য

মার্চ মাসে কৃষিতে করণীয় কাজসমূহ

বোরোতে পানি ও ব্রাউন প্ল্যান্ট হপার, গ্রীষ্মের ধানের বীজতলা, গম কাটা, মুগ-মাসকলাই বপন, সূর্যমুখী-সয়াবিন, গ্রীষ্মের সবজি, আম-লিচুর মুকুল, পুকুর ও গবাদি পশু — মার্চে কৃষিতে করণীয়।

তানিয়া চৌধুরী২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()