সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৬°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮২%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

ফুলকপির বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

চুয়াডাঙ্গার মাঠজুড়ে এ বছর শীতকালীন সবজি মৌসুমে ফুলকপির বাম্পার ফলন হয়েছে। সন্তোষজনক দাম পাওয়ায় কৃষকদের মুখে ফিরেছে স্বস্তির হাসি। প্রতি বিঘায় ৩০-৩৫ হাজার টাকা খরচ করে কৃষকেরা ফুলকপি বিক্রি করছেন ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায়। এতে প্রতি বিঘায় ৫০-৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ পাচ্ছেন। গত বছরের লোকসান

চুয়াডাঙ্গার মাঠজুড়ে এ বছর শীতকালীন সবজি মৌসুমে ফুলকপির বাম্পার ফলন হয়েছে। সন্তোষজনক দাম পাওয়ায় কৃষকদের মুখে ফিরেছে স্বস্তির হাসি। প্রতি বিঘায় ৩০-৩৫ হাজার টাকা খরচ করে কৃষকেরা ফুলকপি বিক্রি করছেন ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায়। এতে প্রতি বিঘায় ৫০-৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ পাচ্ছেন। গত বছরের লোকসান কাটিয়ে কৃষকেরা এবার ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পেয়েছেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, চলতি বছর চুয়াডাঙ্গা জেলায় ফুলকপি চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ হাজার ৯৭৫ হেক্টর জমিতে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আগাম বাজারে আসা এবং চাহিদা ভালো থাকায় কৃষকেরা এবার গতবারের তুলনায় বেশি দাম পাচ্ছেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গাইদঘাট গ্রামের কৃষক মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, '২ বিঘা কপি চাষে ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল। বিক্রি করেছি ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। গত বছর ক্ষতি হয়েছিল, এবার তা পুরোপুরি উঠে গেছে। দাম এমন ভালো থাকলে আগামীতে আরও জমিতে কপি চাষ করবো।'

গাড়াবাড়িয়া বাগানপাড়ার কৃষক মোহাম্মদ হাসানুর রহমান বলেন, '৭ বিঘা কপি চাষ করেছি। প্রতি বিঘা দিয়েছি ১ লাখ ১০ হাজারে। খরচ বাদে প্রতি বিঘায় ৬০-৭০ হাজার টাকা লাভ এসেছে। গত বছর যেখানে ৬০-৭০ হাজারে বিক্রি করেছি। এ বছর এক লাফে দাম বেড়েছে অর্ধলক্ষ টাকা।'

আরও পড়ুনশরীয়তপুরে জনপ্রিয় হচ্ছে বিনা চাষ পদ্ধতির রসুন আবাদ পেঁপে চাষে সফল অধ্যাপক মোস্তফা কামাল, বছরে আয় ১০ লাখ

পড়াশোনার পাশাপাশি বাবার খামার দেখাশোনা করেন তরুণ চাষি মোহাম্মদ আরাফাত। তিনি বলেন, '৩ বিঘা কপি চাষ করেছি। দেড় বিঘা আগাম কপি বিক্রি করেছি ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা বিঘা দরে। এখন সাধারণ কপির দাম ৮০-৯০ হাজার টাকা চলছে। খরচ বাদেও ৫০-৬০ হাজার টাকা লাভ হবে।'

গাড়াবাড়িয়ার আরেক চাষি মোহাম্মদ শাহজান আলী বলেন, 'এবার আবহাওয়া খুবই অনুকূলে ছিল। তাই ফলন দারুণ হয়েছে। আগাম কপি বিক্রি করেছি ১ লাখ ২০ হাজারে। খরচ ৩০-৩৫ হাজার, লাভ পেয়েছি ৬০-৭০ হাজার টাকা। গত বছরের লোকসান এবারে পুরো ঘুচে গেছে।'

চুয়াডাঙ্গা সদরের বেলগাছি গ্রামের ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান বলেন, 'গতবারের তুলনায় এ বছর চাহিদা মোটামুটি ভালো। বাজারে সরবরাহও বেশি। আমরা পাইকাররা আগের বছরের চেয়ে ভালোভাবে বিক্রি করতে পারছি। কৃষকেরাও তাদের ন্যায্য দাম পাচ্ছেন।'

চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষি উপপরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার বলেন, 'চুয়াডাঙ্গা সবজি উৎপাদনের অন্যতম প্রধান জেলা। এবার শীতকালীন সবজির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮ হাজার ৬৪০ হেক্টর। আবাদ হয়েছে ৭ হাজার ২২৮ হেক্টর। এর মধ্যে ফুলকপি ১ হাজার ৪৯৪ হেক্টর। ফলন যেমন ভালো; দামও তেমনই। কৃষকেরা লাভবান হচ্ছেন। আমরা নিয়মিত তাদের প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছি।'

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

নোনা মাটির শ্যামনগরে আঙিনায় পুকুর কেটে বৃষ্টির পানি, ১২ পদ্ধতিতে সবজি ফলাচ্ছেন নারীরা

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে লিডার্সের প্রশিক্ষণ নিয়ে দিপীকা রাণীরা মাচা, বেড, মালচিং, বস্তা, ভার্টিক্যাল টাওয়ার আর ড্রিপ সেচে সবজি চাষ করছেন; সঙ্গে জৈব সার, জৈব বালাইনাশক আর আলোর ফাঁদ।

বার্তা২৪২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ছাদকৃষি

ছায়াতেও ফলে, বাঁচে ১০-১২ বছর: শফিক বিপ্লবের বন্য নয়ন মরিচের আট হাজার চারা

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শফিকুর রহমান বন থেকে সংগ্রহ করা এক জাতের বন্য মরিচের চারা ছাদবাগানি ও আঙিনার চাষিদের কাছে পাঠাচ্ছেন; তবে ফলন ও আয়ুর দাবি এখনো তাঁর নিজের পর্যবেক্ষণ।

জাগো নিউজ ২৪২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

এক বছরে পেঁয়াজ বেড়েছে প্রায় ৬ লাখ টন, আলু কমেছে ৩ লাখ টন: বিবিএস

বিবিএসের কৃষি বিভাগের ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পেঁয়াজ, আমন, রসুন, শীতকালীন মরিচ, ভুট্টা ও সয়াবিনের উৎপাদন বেড়েছে, কমেছে আলু ও গম।

প্রথম আলো২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)